Cart Total Items (0)

Cart

All Sports India

‌মুনাল চট্টোপাধ্যায়:‌ চার্চিলকে ৪‌-‌০ গোলে হারিয়ে আইএসএলে দারুন শুরু করেছে ইস্টবেঙ্গল। শুক্রবার আইএসএলের দ্বিতীয় ম্যাচে সামনে ইন্টার কাশী। পুনের বালেওয়াড়ি স্টেডিয়ামে অ্যাওয়ে ম্যাচ থেকে লাল হলুদ কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস ও দলের অন্যতম সেরা অ্যাটাকার বিপিন সিং ৩ পয়েন্ট নিয়ে ঘরে ফিরতে চান। ইন্টার কাশী ম্যাচ জিতে ২৭ অক্টোবর এসিএল টু-‌র ম্যাচে ওমানের মাঠে আল সিবের মোকাবিলা করার আগে দলের আত্মবিশ্বাস অটুট রাখতে চান তাঁরা।

ইন্টার কাশী গতমরশুম থেকেই নানা সমস্যায় ভুগছে। মূলত আর্থিক কারণে। চলতি মরশুমে কিছুটা সেই সমস্যা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। তাও একটা সময় অর্থের জোগান না থাকায় আইএসএলের ম্যাচ কোন মাঠে খেলবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছিল তারা। শেষপর্যন্ত পুনের মাঠে হোম ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছে। গত মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে আইএসএলের শেষ ম্যাচ খেলেছিল ইন্টার কাশী কিশোরভারতী ক্রীড়াঙ্গনে। শুরুতে ১ গোলে এগিয়ে থাকলেও পরে ইস্টবেঙ্গলের এজেজারি ও রশিদের দেওয়া গোলে ম্যাচ হারে কাশী। চ্যাম্পিয়ন হয় ইস্টবঙ্গল প্রথমবার আইএসএলে।

এবার চলতি মরশুমে প্রথম ম্যাচে কেরালা ব্লাস্টার্সের কাছে ০-‌২ গোলে হারলেও পরের ম্যাচে ওড়িশা এফসির সঙ্গে ১-‌১ ড্র করেছে ইন্টার কাশী। তারা যে ইস্টবেঙ্গলকে পুনের ম্যাচে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেবে, এটা মনে করছেন ইস্টবেঙ্গলের হেড স্যার হাবাস। ঘন ঘন ম্যাচ খেলার ধকল আছে ফুটবলারদের। বিশেষ করে একটার পর একটা টুর্নামেন্টে খেলার সঙ্গে যাতায়াতের ক্নান্তি অ্যাওয়ে ম্যাচে অংশ নেওয়ার কারণে। আইএসএলের ম্যাচ খেলার মাঝে এসিএল টু-‌র ম্যাচও খেলতে হচ্ছে। তবে এরপরও কোনও অভিযোগ বা অজুহাতের রাস্তায় হাঁটছেন না কোচ হাবাস।

বরং হাবাস বলেই দিলেন,‘‌ এসব সমস্যা থাকবেই। এগুলো কাটিয়েই ফুটবলারদের সেরা দিতে হবে। ম্যাচ জিততে হবে। ইন্টার কাশী ম্যাচ সহজ হবে না। চার্চিল ম্যাচের ভাল খেলাটা বজায় রাখতে হবে। পরপর ম্যাচ খেলার কারণে দলে সামান্য বদল হতে পারে ফুটবলারদের ক্লান্তির হাত থেকে বাঁচাতে। চোট এড়াতে। হাতে অনেক সমান দক্ষতা সম্পন্ন ফুটবলার আছে। তাদের ব্যবহার করব পরিস্থিতি বুঝে।’‌

চার্চিল ম্যাচে পরে নেমে ২ গোল করেছেন বিপিন সিং। ইস্টবেঙ্গলের এই উইঙ্গার ইন্টার কাশী ম্যাচেও জয় পেতে আত্মবিশ্বাসী। বলেন, ‘‌ গোল পেতে কার না ভাল লাগে। বদলি হিসেবে নেমে ২ গোল করে দলের জয় সুনিশ্চিত করায় বেশি ভাল লেগেছে। লক্ষ্য থাকবে পরের ম্যাচে মাঠে এমনই সেরা দেওয়া, গোল করা। কোচ কখন আমাকে ম্যাচে ব্যবহার করবেন, সেটা তাঁর ব্যাপার। আমার কাজ মাঠে নেমে সেরা দেওয়া। ইন্টার কাশী গতমরশুমে আইএসএলের শেষ ম্যাচে ঝামেলায় ফেলেছিল। তাই ওদের হাল্কাভাবে নিলে চলবে না। সতর্ক থাকতে হবে অ্যাওয়ে ম্যাচ থেকে ৩ পয়েন্ট পেতে।’‌

বিপিনের কাছে প্রশ্ন ছিল, গত মরশুমের তুলনায় এবার দলটাকে অনেক বেশি ঝকঝকে লাগছে কেন?‌ মরশুমের শুরু থেকেই সবধরনের টুর্নামেন্ট ও ম্যাচে নিজেদের ভাল খেলার ছাপ রাখছেন ফুটবলাররা। এর কারণ কী?‌ বিপিনের উত্তর,‘‌ গতবারের তুলনায় দলে অনেক বদল হয়েছে। ঘর ও বিদেশি ফুটবলার মিলিয়ে। এদের সকলের থেকে সেরা বের করে আনছেন কোচ হাবাস। কোনও সন্দেহ নেই হাবাসের হাতে পড়ে ইস্টবেঙ্গলের খেলা বেশি করে খুলে গেছে। হাবাস ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দলের হয়ে সাফল্য পেয়েছেন। অসংখ্য ট্রফি জিতেছেন। হাবাসের কোচিং স্টাইল ফুটবলাররা চমৎকার রপ্ত করেছে। আর তাতেই ইস্টবেঙ্গলের খেলায় একটা ছন্দ রয়েছে। সকলের নজর কাড়ছে। আশাবাদী ও আত্মবিশ্বাসী এবারও আইএসএলে খেতাব ধরে রাখার লড়াইয়ে ইস্টবেঙ্গল শেষপর্যন্ত থাকবে।’‌

শুধু বিপিন কেন গোটা ইস্টবেঙ্গল শিবির থেকে সদস্য-‌সমর্থকরাও বিশ্বাস করেন, কোচ হাবাসের হাতে পড়ে লাল হলুদ ব্রিগেড দৌড়চ্ছে।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Captcha loading...