মুনাল চট্টোপাধ্যায়: এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টায়ার টু-র প্রথম ম্যাচে ওমানের আল সিবকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল ইরাকের আল শোরতা। স্বাভাবিকভাবেই একটা বাড়তি আত্মবিশ্বাস নিয়ে আল শোরতা এসিএল ২-র দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে এসেছে কলকাতায় প্রতিপক্ষ ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে। অ্যাওয়ে ম্যাচ হলেও আল শোরতার কোচ টিউনিশিয়ার সামি ট্রাবেলসি ও অধিনায়ক বাসাম শাকির আমেদ ম্যাচের আগের দিন সোমবার সাংবাদিক সম্মেলনে ছিলেন বেশ ফুরফুরে মেজাজে। তিনদিন ধরে কলকাতায় ইস্টবেঙ্গলের মোকাবিলার প্রস্তুতি সেরেছেন। মুখে প্রতিপক্ষ ইস্টবঙ্গলকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বললেও, কোনও উদ্বেগ ধরা পড়েনি তাঁদের বক্তব্যে। বরং বলেই দিলেন, ইস্টবেঙ্গল সম্পর্কে রীতিমতো হোমওয়ার্ক করেই এসেছেন তাঁরা। জয়ের লক্ষ্যে সেরা দিতে তৈরি।
জাতীয় দলের একাধিক ফুটবল আছে আল শোরতা দলে। দু’জন বিশ্বকাপার, যাঁরা গত ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলেছিলেন ইরাকের হয়ে। তার মধ্যে গোলকিপার জালাল চোটের জন্য শুরু করবেন না ইস্টবেঙ্গল ম্যাচে। খেলবেন স্ট্রাইকার মোহনাদ আলি। এমনই জানিয়েছেন আল শোরতা কোচ সামি।
অধিনায়ক বাসাম শাকির জাতীয় দলের ফুটবলার। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপের স্কোয়াডে ছিলেন না। তবে বাসাম ছিলেন ২০১৭ অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপের ইরাকের দলে। নিজেই জানালেন, ‘ ২০১৭ সালে যুবভারতীতে ইরাকের হয়ে খেলে গিয়েছিলাম। সেই স্মৃতি আমাকে এখনও সুখ দেয়। এবার প্রতিপক্ষ ভারতের অন্যতম সেরা দল ইস্টবেঙ্গল। জর্ডনের ক্লাব আল হুসেইনের সঙ্গে ভাল খেলে ২-২ ড্র করেছিল ওরা। ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের সামনে খেলা চ্যালেঞ্জিং। সেটা মাথায় রেখেই ৩ পয়েন্ট পেতে ঝাঁপাব।’
আল শোরতা কোচ সামি ইস্টবেঙ্গল ম্যাচকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছেন। বলেন, ‘ আমি ইস্টবেঙ্গলের খেলা দেখেছি। ওদের দলে বেশ কয়েকজন বিপজ্জনক ফুটবলার আছে। ওরা অনেক গোল করেছ। তবে শুধু একজন দু’জন নয়, গোটা দলটাকেই নজরে রাখতে হবে ম্যাচ জিততে। গ্রুপের বাকি দলগুলোর সঙ্গে বিশেষ পার্থক্য নেই শক্তির দিক থেকে। আমার দল গত এক মাসে ৯টা ম্যাচ খেলেছে। বেশ কিছু ম্যাচ ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে খেলতে হয়েছে। তবে দলে কোনও বড় চোট আঘাত বা সমস্যা নেই। ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ থেকে ৩ পয়েন্ট পেতে অঙ্ক কষে খেলব। ১ পয়েন্ট পেলে খুশি হব না, কারণ এর পরের এসিএল টু ম্যাচের প্রতিপক্ষ আরও কঠিন।’
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
