Photo Courtesy: CAB
অলস্পোর্ট ডেস্ক: কল্যানীর মাঠে রনজি ট্রফি এলিটের কোয়ার্টারফাইনালে অন্ধ্রকে এক ইনিংস ও ৯০ রানে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠল বাংলা দাপটের সঙ্গে খেলে। ১৫ ফেব্রুয়ারি ঘরের মাঠে সেমিফাইনালে লক্ষ্মীরতণ শুক্লার দলের ক্রিকেটারদের সামনে জম্মু ও কাশ্মীর। কোয়ার্টারফাইনালে যে বিরাট ব্যবধানে জয় পেয়েছে, তাতে ফাইনালে ওঠার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বাংলা শিবির।
প্রথম ইনিংসে অন্ধ্রকে ২৯৫ রানে অলআউট করেছিল বাংলা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে সুদীপ কুমার ঘরামির ২৯৯ রানের এক ঝকঝকে ইংনিসের সুবাদে বাংলা ৬২৯ রান তুলে সেমিফাইনালে ওঠার রাস্তা প্রশস্ত করেই ফেলেছিল। ১ রানের জন্য ত্রিশতরান মিস করা সুদীপের ৫৯৬ বল খেলাটা বাংলা ব্যাটারদের মধ্যে এক নয়া রেকর্ড। তাঁর ইনিংস সাজানো ছিল ৩৯টি বাউন্ডারি ও ৬টি ওভারবাউন্ডারিতে। শাকিব গান্ধী মাত্র ৫ রানের জন্য শতরান পাননি। সুদীপ ও শাকিবের সপ্তম উইকেটের জুটিতে ওঠে ২২১ রান। মহম্মদ শামিও কম যাননি। তিনি ৭টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৩৩ বলে ৫৩ বলের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। দেখে মনে হচ্ছিল শামি যেন জাতীয় নির্বাচকদের জবাব দিচ্ছেন এভাবেই।
এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে অন্ধ্র ৩ উকেটে ৬৪ রান তুলে চাপে পড়ে। বাংলার শুধু আউটরাইট জয় পেতে ম্যাচের শেষদিনে দরকার ছিল দ্রুত ৭ উইকেট তুলে নেওয়া। ম্যাচের শেষদিনে চা বিরতির অনেক আগেই অভিমন্যু ঈশ্বরণের অধিনায়কত্বে অন্ধ্রেকে মুড়িয়ে দিয়ে এক ইনিংস ও ৯০ রানের স্মরণীয় জয় পায় বাংলা। অন্ধ্র দ্বিতীয় ইনিংসে ৭২.২ ওভারে ২৪৪ রানের বেশি করতে পারেনি। চোটের কারণে ব্যাট করতে পারেননি কেএস ভরত। সামান্য লড়ার চেষ্টা করেছিলেন অন্ধ্রের ব্যাটার নীতিশ কুমার রেড্ডি(৯০), ত্রিপুরাণা বিজয়(৪৬), রিকি ভুঁই (৩০)। বাংলার বোলারদের মধ্যে শাহবাজ আহমেদ ৩টি মেডেন সহ ২৪ ওভারে ৭২ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। সুরজ সিন্ধু জওসোয়াল ২টি, অনুষ্টুপ মজুমদার, আকাশদীপ, সুমন্ত গুপ্ত ১টি করে উইকেট দখল করেন। ম্যাচের সেরা স্বাভাবিকভাবেই সুদীপ ঘরামি।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
