সঞ্জু স্যামসন। ছবি— বিসিসিআই এক্স
অলস্পোর্ট ডেস্ক: নিউজিল্যান্ডকে আমেদাবাদের মাঠে ফাইনালে উড়িয়ে দিয়ে টি২০ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। এই নিয়ে তৃতীয়বার। সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে পরপর ২ বার। এই সাফল্যে অবদান রয়েছে ভারতীয় ব্যাটার-উইকেটকিপার সঞ্জু স্যামসনের। এমনটাই মনে করেন ভারতীয় দলের কোচ গৌতম গম্ভীর। তাঁর মতে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে রান তাড়া করার চাপের মুহূর্তে সঞ্জু স্যামসনের করা ৯৭ রান টি২০ বিশ্বকাপ জেতার টার্নিং পয়েন্ট । ওটাই বাকি টুর্নামেন্ট জয়ের ভিত ও মানসিকতা গড়ে দিয়েছিল।
গৌতমের বক্তব্য, ‘ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ম্যাচটা ছিল কার্যত কোয়ার্টারফাইনাল। সেখানে বিশ্বকাপের মঞ্চে ১৯৫ রান তাড়া করে জেতা মোটেই সহজ কাজ ছিল না। মাঠ যেমনই হোক না কেন। সঞ্জু যেভাবে ঠান্ডা মাথায় ও প্রতিটি বলে মনঃসংযোগ করে ইনিংস এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল, তা সত্যি প্রশংসনীয়। ওর এই মনোভাব ও ব্যাটিং গোটা দলকে আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে এরপর বাকি ম্যাচে। যখন সঞ্জু নিজের কাজটা ঠিকঠাক করে গেছে, তখন তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ইশান কিষাণও নিজের অবদান রেখে গেছে ইনিংস মজবুত করতে। এটাই কাপ জেতার রাস্তা মসৃণ করে দিয়েছিল।’
ভারতীয় চিফ কোচ হিসেবে বিশ্বকাপ জয়ের অনুভূতি সম্পূর্ণ আলাদা বলে ব্যক্ত করেছেন গৌতম গম্ভীর। ভারতীয় দলের সাফল্যে আর একবার ভিন্ন ভূমিকায় সাফল্য এনে দিতে পারবেন, এমনটা ভাবেননি। আবেগপ্রবণ ভাষায় গৌতম গম্ভীর জানিয়েছেন, ‘ আমি কখনও ভাবিনি ভারতীয় দলের চিফ কোচ হব, বা কোচের ভূমিকায় কখনও বিশ্বকাপ জিতব। কারণ ভারতীয় দলের জার্সি গায়ে কিছু করাটা একটা স্পেশাল ব্যাপার, গর্বের বিষয়।’
২০১১তে একদিনের ক্রিকেটে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন গৌতম গম্ভীর। এবার কোচ হিসেবে একটা নতুন মাইলফলক ছুঁলেন তিনি। বলেন, ‘ যখন তোমার মা অভিনন্নদ জানিয়ে বলেন, দারুন কাজ করেছ, তখন বুকটা আনন্দে ভরে ওঠে। এই কথাগুলো শোনার জন্যই খেলা বা কোচিং করা। ১৪০ কোটি মানুষকে গর্বিত ও খুশি করার থেকে আর বড় কী হতে পারে?’
গম্ভীর গোটা টুর্নামেন্ট জুড়ে ক্রিকেটারদের উজ্জীবিত করে গেছেন এটা বলে,‘ সাজঘরে ভারতীয় জার্সি গায়ে থাকাটাই একটাই বড় প্রাপ্তি। আরও অনেকেই আমার জায়গায় হেড কোচ হতে চাইলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রেও সেটা খাটে। তাই আমরা যারা সুযোগটা পেয়েছি, তাদের একটা কাজ ছিল ভারতের জার্সিতে মাঠে নেমে সেরা দেওয়া। সেটাই দিয়েছে সকলে। একটা ইউনিট হিসেবে নিজেদের ছাপ রেখেছে। ব্যাটে ও বলে নিজেদের রোল প্লে করেছে মোক্ষম সময়ে। একটা কথা বলতেই হবে, ব্যাটিং পজিশন বারবার বদলেও দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে কোনও অখুশি ভাব ছিল না।’
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
