কোচেরা যতই আবেগকে নিয়ন্ত্রণের কথা বলুন না কেন, কলকাতা ডার্বি খেলার যে উন্মাদনা ছুঁয়ে গিয়েছে তাঁদেরও তা ফুটবলারদের কথায় স্পষ্ট।
লক্ষ্য ছিল সন্তোষ ট্রফি ফাইনালে খেলতে যাওয়া বাংলা ফুটবল দলকে শুভেচ্ছা জানানো। কিন্তু সামনে যখন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস তখন ডার্বি প্রসঙ্গ যে উঠে আসবে তার নিয়ে কোনও সন্দেহ ছিল না।
ইস্টবেঙ্গলের কার্লেস কুয়াদ্রাত পরবর্তী কোচ কে হবেন তা নিয়ে ছিল জোড় জল্পনা। তবে কয়েকদিনের মধ্যেই ক্লাবের পক্ষ থেকে না জানালেও বোঝাই গিয়েছিল লাল-হলুদের ককোচের দৌঁড়ে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন অস্কার ব্রুজোঁ।
কলকাতা ডার্বির শততম বছর হতাশার নজির তৈরি করল। কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে ইস্টবেঙ্গল আর মোহনবাগান মুখোমুখি হবে আর গ্যালারি এভাবে ফাঁকা থাকবে তা হয়তো অতি বড় বোদ্ধাও বুঝে উঠতে পারেননি।
মাঝে মাত্র একটা দিন, তাঁর পরই মরসুমের প্রথম ডার্বি। কিন্তু তা নিয়ে না আছে কোনও উত্তেজনা না আগ্ৰহ।
এই ডার্বি ছিল বিতর্কের। শুরু থেকে আইএসএল ২০২৩-২৪-এর ফিরতি লেগের ডার্বি নিয়ে ক্লাব, পুলিশ, প্রশাসন সকলেই গত দু’সপ্তাহ ধরে আলোচনার পর আলোচনায় কাটিয়েছে।
আইএসএল ২০২৩-২৪-র ফিরতি লেগের ডার্বি নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল প্রায় অথবা ভিনরাজ্যে চলে যাওয়ার।
একবাক্যে মেনে নিলেন আত্মবিশ্বাসী কার্লেস কুয়াদ্রাত। মোহনবাগানের থেকে যে পারফর্মেন্সের বিচারে তাঁরা অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন সেটা ডার্বির আগের দিন সাংবাদিকদের সামনে স্বীকার কর নিলেন।
রবিবার ভারতীয় ফুটবলের মহারণ কলকাতা ডার্বি, যা নিয়ে বাংলা তথা ভারতীয় ফুটবলে চলছে জোর জল্পনা।
আইএসএল ২০২৩-২৪-এর ফিরতি লেগের ডার্বি আয়োজনের দায়িত্ব ইস্টবেঙ্গলের। কিন্তু এই ম্যাচ নিয়ে জটিলতা যেন কিছুতেই কাটতে চাইছে না।
