রবিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে কলকাতা ডার্বিতে মহমেডান এসসি-কে হারানোর পর দুই দলেরই প্রশংসা করেন ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুজোন।
এই আইএসএল-এর শেষ কলকাতা ডার্বি যখন খেলতে নেমেছিল দুই দল তখন লিগ টেবলের ১১ নম্বরে দাঁড়িয়ে ইস্টবেঙ্গল ও সবার শেষে ১৩-তে দাঁড়িয়ে মহমেডান। এক কথায় সমানে সমানে লড়াই। তবে শেষের দিক থেকে। শেষ হাসি হাসল ইস্টবেঙ্গলই ৩-১ গোলে জিতে।...
আর মাত্র একটা ম্যাচ। সেই ম্যাচে জয় তুলে নিলেই লিগশিল্ড চলে আসবে হাতের মুঠোয়। তাহলে ঘরের মাঠেই পর পর দু’বছর এই সাফল্য উদযাপন করতে পারবে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। হোসে মোলিনা জমানায় পুরো মরসুমটাই দাঁপিয়ে খেলছে মোহনবাগান দল।
কথা-বার্তায় চূড়ান্ত পেশাদার। এখনও নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ পাননি তিনি। শেষ ম্যাচে চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ৬০ মিনিটে তাঁকে নামিযে দিয়েছিলেন কো। তার আগের দিনই তিনি ভারতে পা রেখেছিলন। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাঠে নামিয়ে দেওয়া একটা প্লেয়ারকে বিশ্লেষণ করা সম্ভব...
আইএসএ ২০২৪-২৫-এ আর কোনও আশা নেই ইস্টবেঙ্গলের তা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। কোচ অস্কার ব্রুজোঁ মেনেও নিচ্ছেন সে কথা। তবুও আশায় বুক বাঁধছেন তিনি। কঠিন সময়ে দলের দায়িত্ব নিয়েছিলেন, একজন সফল কোচকে সরিয়েই তাঁকে জায়গা করে দিয়েছিল ক্লাব।
জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে হয়ে গেল ফুটবলের সাফল্য উদযাপন। আর তার কারিগর বাংলার ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা আইএফএ। কোচ সঞ্জয় সেনের হাতে ধরে বহুদিন পর সন্তোষ ট্রফি জিতেছেন বাংলার ছেলেরা।
কলকাতা প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচ ছিল বৃহস্পতিবার। খেলা ছিল ইস্টবেঙ্গল আর ডায়মন্ড হারবারের মধ্যে। একদল মাঠে নামলেও আর এক দল মাঠেই এল না। যার ফলে ভেস্তে গেল খেলা। এমনটা যে হবে তার আগে থেকেই ইঙ্গিত ছিল।
শনিবার কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে জিতলে কি এ মরশুমের লিগশিল্ড জিতে নিতে পারে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট? না, বুধবার পশ্চিমী ডার্বিতে এফসি গোয়ার জয়ের পর তা আর সম্ভব নয়।
পাহাড়ের গায়ে যেন হেলান দিয়ে বসে রয়েছে লাল-হলুদ উজ্জ্বল গ্যালারি। মাঝে হাতছানি দিয়ে ডাকছে সবুজ মাঠ। আর সেই সবুজ মাঠেই হতে চলেছে এশিয়ান ফুটবলের এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ।
২০২৫ সালের জানুয়ারি ট্রান্সফার উইন্ডো আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে, কারণ ক্লাবগুলি তাদের দলকে আরও উন্নত করার এবং গুরুত্বপূর্ণ সংযোজনগুলির মাধ্যমে তাদের শক্তিশালী করার সুযোগ কাজে লাগিয়েছে।
