Cart Total Items (0)

Cart

All Sports India

অলস্পোর্ট ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়দের চোট-সংক্রান্ত উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে বেঙ্গালুরুর ‘সেন্টার অফ এক্সিলেন্স’-এর মেডিকেল টিম তাদের ফিটনেস কর্মসূচি ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা করছে। একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিওই এখন আর খেলোয়াড় বিশেষে আলাদা বা কাস্টমাইজড পরীক্ষার পরিবর্তে সব ক্রিকেটারের জন্য একটি সাধারণ বা ‘স্ট্যান্ডার্ডাইজড’ ফিটনেস মানদণ্ড নির্ধারণের কাজ করছে। স্ট্রেন্থ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচ হিসেবে অ্যাড্রিয়ান লেরু দায়িত্ব নেওয়ার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে, ফিটনেস যাচাইয়ের জন্য ‘ইয়ো-ইয়ো টেস্ট’-এর বদলে ‘ব্রঙ্কো টেস্ট’-কে প্রধান মাপকাঠি হিসেবে ব্যবহার করা হবে।

জানা গিয়েছে, বিসিসিআই-এর মেডিকেল টিম এখন ফিট হিসেবে বিবেচিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ড্রিল বা অনুশীলন সম্পন্ন করার সময়সীমা হিসেবে ৫.১৫ থেকে ৫.২০ মিনিটকে ‘ভিত্তিমান’ হিসেবে নির্ধারণ করেছে। এছাড়া, ২ কিলোমিটার দৌড়ের পরীক্ষার জন্য ৯ থেকে ১০ মিনিটের সময়সীমাও ঠিক করেছে।

বিসিসিআই-এর একটি সূত্র ‘টাইমস অফ ইন্ডিয়া’-কে জানিয়েছে, ‘‘ভারতীয় খেলোয়াড়রা ব্রঙ্কো টেস্টের সঙ্গে অভ্যস্ত নয়। গত এক বছরে সিওই খেলোয়াড়দের জন্য বিভিন্ন ভিত্তিমান বা মাপকাঠি নির্ধারণ করেছিল। এখন জানা যাচ্ছে যে, ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য কিছু সিনিয়র খেলোয়াড়কে অনেক সহজ লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছিল। দলের ব্যবস্থাপনার চাহিদা অনুযায়ী খেলোয়াড় সরবরাহ নিশ্চিত করতে সিওই-র কর্মীরা হর্ষিত রানা এবং নীতীশ কুমার রেড্ডির মতো খেলোয়াড়দেরও ছাড়পত্র দিয়েছিল।’’

সূত্রটি আরও জানিয়েছে যে, কিছু খেলোয়াড়ের ফিটনেস মানের সামগ্রিক অবনতির বিষয়ে ভারতীয় ক্রিকেট দলের ফিজিও কমলেশ জৈনকে দল ব্যবস্থাপনা এবং বিসিসিআই—উভয় পক্ষেরই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল। ইংল্যান্ড সফরের সময় খেলোয়াড়দের ঘনঘন পেশিতে টান লাগা বা ‘ক্র্যাম্প’-এর সমস্যায় পড়ার ঘটনায় দল ব্যবস্থাপনা অসন্তোষও প্রকাশ করেছিল।

সূত্রটি বলেছে, ‘‘কমলেশকে বলা হয়েছে যে, কোনও খেলোয়াড়ের তারকা-খ্যাতি বা বড় নাম নিয়ে চিন্তা না করে কোনও বিষয় সন্তোষজনক মনে না হলে যেন তিনি তা স্পষ্টভাবে জানান। দেখা গিয়েছে, মাঠে কিছু খেলোয়াড়ের নড়াচড়ার সক্ষমতা বা গতিবিধি প্রশ্নবিদ্ধ। দীর্ঘ সময় ধরে ব্যাট করার সময় সিনিয়র ব্যাটাররা উইকেটের মাঝে দৌড়ানোর ক্ষেত্রে হিমশিম খাচ্ছেন। এছাড়া ধীরগতির ফিল্ডারের সংখ্যাও বেড়েছে।’’

প্রতিবেদনটিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচের পর কেন হর্ষিত রানাকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল, সেই কারণও প্রকাশ করা হয়েছে। ‘‘ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট তার ওজন প্রয়োজনের চেয়ে চার কেজি বেশি হওয়ার বিষয়টি নজরে এনেছিল। এক্ষেত্রে ‘সেন্টার অফ এক্সিলেন্স’-এর আরও অনেক বেশি সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। কর্মীরা তাকে জানিয়ে দিয়েছেন যে তার ওজন কোনওভাবেই ৯৬ কেজির বেশি হতে পারবে না। বর্তমানে তার ওজন ৯৪ কেজি এবং আশা করা হচ্ছে আগামী সপ্তাহে তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে। অথচ যুক্তরাজ্য সফরের জন্য ভারতীয় দলে নির্বাচনের সময় তার ওজন ছিল ৯৭ কেজি,” সূত্রটি জানিয়েছে।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *