অলস্পোর্ট ডেস্ক: রীতিমতো ভয় ধরিয়ে দিয়েছিলেন ডেনমার্কের তারকা ফুটবলার ক্রিস্টিয়ান এরিকসন। রবিবার ওডেনেসের নেচার এনার্জি পার্কে ডেনমার্ক ও ইউক্রেনের মধ্যে ম্যাচের সময় মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়েন ৩৪ বছরের এরিকসন। তাতে ফিরেছিল আগেরবারের ভয়াবহ স্মৃতি। বলতে গেলে আরও একবার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন এরিকসন।
২০২০ ইওরো কাপে কোপেনহেগানের মাঠে ফিনল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলার সময় মাঠে এভাবেই জ্ঞান হারিয়ে লুটিয়ে পড়েছিলেন। প্রায় ৫ মিনিট তাঁর হৃদযন্ত্র বন্ধ ছিল। ডেনমার্কের ফুটবলাররা কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন এরিকসন বাঁচবেন না ভেবে। সেসময় ২৯ বছর বয়সী এরিকসনের জ্ঞান ফেরাতে সেসময় প্রাণপাত করেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরে দল। শেষপর্যন্ত কৃত্রিম শ্বাস প্রশ্বাস ফেরানোর যন্ত্র ব্যবহার করে ও অক্লান্ত প্রচেষ্টা এরিকসনের ধড়ে প্রাণ আসে। ১৫ মিনিট বাদে এরিকসনকে স্ট্রেচারে করে বের করে নিয়ে যাওয়া হয় মাঠ থেকে। দু’দলের ফুটবলার, দর্শক, ও বিশ্বের ফুটবপ্রেমীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন। পরে হাসপাতেলে তাঁর চিকিৎসা হয়। বুকে পেসমেকার বসে। ৬ মাস বাদে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে খেলায় ফেরেন তিনি।
আর এবার এনার্জি পার্কে ডেনমার্ক ২-১ গোলে এগিয়ে থাকার সময় দ্বিতীয়ার্ধে বুক চেপে ধরে মাটিতে পড়ে যান এরিকসন। অল্পসময়ের জন্য জ্ঞান হারিয়েছিলেন। তবে তাঁর জ্ঞান ফিরে আসে খুব তাড়াতাড়ি। তাতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন সতীর্থ ও বিপক্ষ দলের ফুটবলাররা। ড্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন শুধু ম্যাচ সেইমতো স্থগিতই রাখেননি, খেলা বাতিল করে দেন।
ডেনমার্ক জাতীয় দলের চিকিৎসক মর্টেন বোয়েসেন জানিয়েছেন, ‘ এরিকসন ভাল আছেন। সাময়িক জ্ঞান হারালেও এরিকসন হেঁটেই মাঠ থেকে বেরিয়েছে। যেটুকু বুঝেছি, এরিকসনের বুকে থাকা পেসমেকার সময়মতো কাজ করেছে। সাময়িক জ্ঞান হারিয়েছিল। তবে সেটা খুব সামান্য সময়। দ্রুত জ্ঞান ফেরে ওর। এখন হাসপাতালে রেখে ওর সবরকম পরীক্ষা হবে। কেন, এমনটা হল, সেটা জানতে। আমরা হাসপাতালের ডাক্তারদের সঙ্গে সর্বক্ষণ যোগাযোগ রাখছি। এরিকসন সব ফুটবলারদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে, ওর সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করায়।’
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
