ছবি— ফিফা বিশ্বকাপ এক্স
অলস্পোর্ট ডেস্ক: স্পেনের দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের পর সোমবারও দেশজুড়ে উদযাপন অব্যাহত ছিল। রবিবার আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ইনজুরি টাইমে জয়সূচক গোলটি করে ফেরান তোরেস আন্দ্রে ইনিয়েস্তার পাশে নিজের নাম লিখে ফেলেছেন। ইনিয়েস্তা ২০১০ সালের ফাইনালে জয়সূচক গোলটি করেছিলেন। জাতীয় দলের জার্সিতে দ্বিতীয় ‘স্টার’ বা তারকা যুক্ত করার সম্মানের পাশাপাশি, স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন (আরএফইএফ) এবং দলের ২৬ জন খেলোয়াড়ের উদযাপনের পেছনে উল্লেখযোগ্য আর্থিক কারণও রয়েছে। বিশ্বকাপ জয়ের সুবাদে আরএফইএফ ফিফার কাছ থেকে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রাইজমানি পেয়েছে। এছাড়া স্পন্সরশিপ থেকে আয় বাড়ার বিষয়টিও ফেডারেশনের জন্য লাভজনক হবে। সিনহুয়া-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভ্রমণ, বিমা, টেলিযোগাযোগ, স্পোর্টসওয়্যার, জ্বালানি এবং খাদ্য ও পানীয়সহ বিভিন্ন খাতের ৩৫টি কোম্পানি স্প্যানিশ জাতীয় দলকে স্পনসর করছে।
বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ফলে স্পেনের টেলিভিশন স্বত্বের মূল্যও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যে সারা দেশে দলের রেপ্লিকা জার্সির বিক্রি ব্যাপকভাবে বেড়েছে। স্পেনে দলের ‘অফ-হোয়াইট’ রঙের অ্যাওয়ে জার্সিটি প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারেও এর চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এই জয়ের ফলে খেলোয়াড়রাও মোটা অঙ্কের অর্থ পেতে চলেছেন। বিশ্বকাপ জয়ী পদক ও আংটির পাশাপাশি দলের প্রত্যেক সদস্য ৭,৫৬,০০০ ইউরো (প্রায় ৮,৬৩,০০০ ডলার বা ৮.৩২ কোটি টাকা) বোনাস হিসেবে পাবেন।
রবিবার রাতে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে স্পেনের ১-০ ব্যবধানের জয় স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমেও ব্যাপকভাবে উদযাপিত হয়েছে।
ক্রীড়া দৈনিক ‘মার্কা’ তাদের শিরোনামে লিখেছে “সুপারস্টারস” (Superstars), আর বার্সেলোনা-ভিত্তিক ক্রীড়া দৈনিক ‘মুন্দো দেপোর্তিভো’ ও ‘স্পোর্ট’ যথাক্রমে “চ্যাম্পিয়নস” (Champions) ও “টু-টাইম চ্যাম্পিয়নস” (Two-Time Champions)—অর্থাৎ “চ্যাম্পিয়ন” ও “দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন”—শিরোনাম ব্যবহার করে বিষয়টি সহজভাবে তুলে ধরেছে।
সাধারণ খবরের কাগজগুলোর মধ্যে ‘এল মুন্দো’ শিরোনাম করেছে “আমাদের ছেলেরা বিশ্বের শীর্ষে” (Our boys are on top of the world), আর ‘এল পাইস’ কেবল “চ্যাম্পিয়নস” শিরোনাম ব্যবহার করেছে এবং উল্লেখ করেছে যে আর্জেন্টিনা “খুব একটা বিপদ তৈরি করতে পারেনি।”
ম্যাচ-পরবর্তী হাতাহাতির ঘটনার জন্য স্প্যানিশ গণমাধ্যম আর্জেন্টিনার সমালোচনাও করেছে। ‘মার্কা’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, “(আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার) নাহুয়েল রদ্রিকে ঘুষি মারার কারণেই (লিয়ান্দ্রো) পারেদেস এবং (স্পেনের দুই খেলোয়াড়) এরিক গার্সিয়া ও গাভির মধ্যে হাতাহাতি বাধে”—যা ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পরের পরিবেশকে কলঙ্কিত করেছিল।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
