Cart Total Items (0)

Cart

All Sports India

অলস্পোর্ট ডেস্ক:  রবিবার ভারতের তারকা শাটলার পি ভি সিন্ধু নিজের জীবনের গত সাত বছরের কঠিন সময় নিয়ে শেষ পর্যন্ত মুখ খুললেন। এই সাত বছরে তাঁর জীবন বদলে গিয়েছে অনেকটাই। সোমবার শুরু হচ্ছে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ। এর আগেও এই টুর্নামেন্টে পদক জিতেছেন তিনি। ২০১৬-র ২০ অগস্ট রিও অলিম্পিকে স্পেনের ক্যারোলিনা মারিনকে হারিয়ে মহিলাদের একক ফাইনালে রুপো জিতেছিলেন তিনি। অলিম্পিকে প্রথম পদক তাঁর জীবনে পরিবর্তন আনে। যদিও তাঁর আগে তিনি ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ, এশিয়ান গেমস এবং কমনওয়েলথ গেমস-এর মত বড় বড় টুর্নামেন্টে পদক জিতেছিলেন।

‘‘সাত বছর আগের একটা জার্নি আমার জীবন পুরো বদলে দিয়েছে। পিছন ফিরে তাকালে এটা বিশ্বাস করা কঠিন হয় যে, রিও অলিম্পিকে প্রথম মেডেল জেতার সাত বছর কেটে গিয়েছে। আমি রুপো জিতেছিলাম। যেটা আমার মনোযোগ, কঠোর পরিশ্রম, আমার কোচের সাপোর্ট, সতীর্থ এবং ভক্তদের পাশে থাকা,“ টুইটারে লেখেন সিন্ধু।

মাত্র ২১ বছরের সিন্ধু অলিম্পিক ফাইনালে এক গেমে পিছিয়ে থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে মারিনকে হারিয়ে দেন। তিনি আরও বলেন, ‘‘এই যাত্রায় সব থেকে উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলোর মধ্যে একটা হল ক্যারোলিনার বিপক্ষে ফাইনাল খেলা। ফাইনাল জেতা নিয়ে আমরা দু’জনই খুবই দৃঢ় ছিলাম। তিন সেটের এই খেলায় অসাধারণ কিছু ছিল না। তবে এটা খেলার দক্ষতার প্রদর্শন ছিল।“

২৮ বছরের এই হায়দরাবাদী সিন্ধু ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে দু’টো রুপো (২০১৭,২০১৮) এবং একটি সোনা (২০১৯) জিতেছেন। এছাড়াও তিনি ২০১৮-তে এশিয়ান গেমসে রুপো জেতেন। এছাড়া টকিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছেন এবং ২০২২ কমনওয়েলথ গেমস-এ সোনা জিতেছিলেন।

তবে এই মরশুমে তাঁর সময় খুব একটা ভাল যাচ্ছে না। পাঁচ মাসের চোট কাটিয়ে কোর্টে ফিরে ভাল ফর্মে নেই তিনি। এই মুহূর্তে বিশ্ব র‍্যাঙ্কি-এ তিনি ১৭-তে নেমে গিয়েছেন।

‘‘আজ আমি এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি যেখানে আমি পদক বা জেতা নিয়ে ভাবছি না। খেলা এবং স্বপ্নপূরণের লক্ষে আছি। এই সাত বছরে আমি অনেক খারাপ ভাল সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছি,“ বলেছেন সিন্ধু।

বর্তমানে ১৭তম স্থানে থাকা সিন্ধু আশা করা যায় আগামী সপ্তাহে শুরু হওয়া ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে তাঁর চেনা ছন্দে আবারও ফিরে আসবেন।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *