রাত পোহালেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। ঠিক যেখানে গত মরসুমের আইএসএল শেষ হয়েছিল সেখান থেকেই যাত্রা শুরু করছে লিগের দুই সেরা দল, মোহনবাগান বনাম মুম্বই সিটি। এই কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনেই।
৪১ মিনিটে প্রথম আক্রমণ আর ৪৪ মিনিটেই গোল। তার আগে পর্যন্ত ম্যাচটা পুরোপুরি ছিল মুম্বই সিটি এফসির দখলে। শেষটাও লেখা হল মুম্বইয়ের নামেই।
ফাইনালের আগে পর্যন্ত পাওয়া পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে এই মরশুমে ভারতীয় ফুটবলাররা ১৩৩টি গোল করেছেন, যা এর আগে কোনও মরশুমে দেখা যায়নি।
এ মরশুমে এই নিয়ে তৃতীয়বার মুখোমুখি হতে চলেছে এই দুই দল। লিগ পর্বে প্রথমে মুম্বই সিটি এফসি তাদের হোম ম্যাচ জিতেছিল এবং শেষে মোহনবাগান তাদের হোম ম্যাচ জিতে লিগশিল্ডও জিতে নেয়।
ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজতেই যুবভারতীর গ্যালারিতে অকাল দীপাবলি। জ্বলল মশাল, ফাটল বাজি সঙ্গে ৬১ হাজার ৭৭৭-এর গ্যালারির আবেগের বিস্ফোরণ।
সোমবার মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের ঘরের মাঠে সেই শিল্ড নিজেদের কাছে রেখে দেওয়ার লড়াইয়ে নামছে মুম্বই সিটি এফসি।
কাউকোদের পাখির চোখে এখন একটাই ম্যাচ, সোমবার মুম্বই সিটি এফসি-র বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে লিগের শেষ ম্যাচ। যা জিতলে প্রথমবার লিগশিল্ড অর্জন করবে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টস।
গ্যালারি ভর্তি সমর্থকের সামনে থেকে লিগ শিল্ড জিতে নিয়ে যাওয়াটা যে মোটেই সোজা কাজ নয়, তা স্বীকার করে নিলেন মুম্বই সিটি এফসি- কোচ পিটার ক্রাতকি।
আইএসএল ২০২৩-২৪-এ প্রথম হারের মুখ দেখল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। তবে এই ম্যাচের সব লাইম লাইট কেড়ে নিলেন রেফারি।
৩০ মিনিটে তিন গোল। ডুরান্ড কাপ ২০২৩-এর কোয়ার্টার ফাইনালে মোহনবাগান বনাম মুম্বই সুপার জায়ান্ট ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল টানটান উত্তেজনায় ঠাসা।
