শুক্রবার ভুটানে গ্রুপের শেষ ম্যাচে নেজমেহ এফসিকে ৩-২ গোলে হারিয়ে গ্রুপের শীর্ষে থেকে পরের পর্বে জায়গা করে নিল কলকাতার দল।
একটি জয়। শুক্রবার থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামের কৃত্রিম ঘাসের মাঠে একটি জয় পেলেই সরাসরি এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে পড়বে ইস্টবেঙ্গল এফসি।
ম্যাচের আগেই বলেছিলেন, হায়দরাবাদকে হারাতে তাদের যথেষ্ট পরিশ্রম করতে হবে। বুধবার জিএমসি বালাযোগী স্টেডিয়ামে সত্যিই প্রচুর ঘাম ঝরিয়ে সাফল্য অর্জন করতে হল হোসে মোলিনার দলকে।
দিন দশেক আগে যে মেজাজে কলকাতা ডার্বি জিতেছিল তারা, সেই মেজাজ ধরে রাখতে না পারলেও বুধবার হায়দরাবাদ এফসি-কে ২-০-য় হারিয়ে চলতি আইএসএলে প্রথম জয়ের হ্যাটট্রিকটি করে ফেলল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট।
দিমিত্রিয়স দায়ামন্তাকস (৩৩ সেকেন্ড), সৌভিক চক্রবর্তী (২০ মিনিট'), নন্দকুমার সেকার (২৬ মিনিট') এবং আনোয়ার আলি (৩৩ মিনিট)-এর গোলে ইস্টবেঙ্গল এফসি তাদের দ্বিতীয় এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগ গ্রুপে বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসকে ৪-০ গোলে হারিয়ে দেয় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে।
তাদের শেষ দুই ম্যাচই ছিল ডার্বি, যাতে একটিও গোল না খেয়ে পাঁচ-পাঁচটি গোল করেছে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। কোচ হিসেবে এর চেয়ে গর্বের আর কীই বা হতে পারে?
ম্যাচ শুরুর ৩০ সেকেন্ডের গোলেই লেখা ছিল ঘুরে দাঁড়ানোর ঠিকানা। যার ফল শেষ পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখল ইস্টবেঙ্গল এফসি। আইএসএল-এ এখনও জয়ের মুখ দেখেনি কলকাতার দল।
টানা তিন ম্যাচ জিতে জয়ের হ্যাটট্রিক করা মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের কাছে নতুন কিছু নয়। এর আগে একাধিকবার তারা এই সাফল্যের স্বাদ পেয়েছে ইন্ডিয়ান সুপার লিগে।
ম্যানচেস্টার সিটি এবং স্পেনের মিডফিল্ডার রদ্রি সোমবার টানা চতুর্থ প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা এবং ইউরো ২০২৪ জেতার পরে পুরুষদের ব্যালন ডি'ওর জিতে নিয়েছেন, কিন্তু রিয়াল মাদ্রিদ এই পুরস্কার অনুষ্ঠান বয়কট করে।
পার বাংলা এবং ওপার বাংলার ফুটবল দ্বৈরথ— মঙ্গলবার রাতে থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামের কৃত্রিম সবুজ গালিচায় যে যুদ্ধ হতে চলেছে, তার ট্যাগলাইন এ ভাবেই লেখা যায় অনায়াসে।
