অলস্পোর্ট ডেস্ক: অস্কার ব্রুজোঁর এই ইস্টবেঙ্গল যে আলাদা তা মরসুমের শুরু থেকে বলে আসছেন স্বয়ং কোচ। থমকে গিয়েও এভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারাটাও একটা বড় প্রাপ্তি তো বটেই। যেটা এদিন করে দেখাল ইস্টবেঙ্গল। মরসুমের প্রথম অ্যাওয়ে ম্যাচে খেলতে একদিন আগেই চেন্নাই উড়ে গিয়েছিল দল। যাওয়ার আগে কোচ বলে গিয়েছিলেন, জয় ছাড়া আর কিছুই ভাবছেন না তিনি। কারণ ছোট লিগে পয়েন্ট নষ্ট মানেই অর্ধেকটা পিছিয়ে পড়া। যে ধাক্কা খেতে হয়েছে তাঁর দলকে। তাই তূলনামূলকভাবে দুর্বল দলের বিরুদ্ধেই ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া ছিলেন কোচ, ফুটবলাররা। আন্তর্জাতিক বিরতির পর প্রস্তুতিতেও বাড়তি জোর দিয়েছিলেন অস্কার। সবের ফল, চেন্নাই থেকে তিন পয়েন্ট নি এ ফিরছে ইস্টবেঙ্গল হোম টিমকে ৩-১ গোলে হারিয়ে।
এদিকে যে মহম্মদ রশিদ আর কেভিন সিবলেকে নিয়ে ধোঁয়াশা রেখে গিয়েছিলেন অস্কার, সেই দু’জনকেই এদিন প্রথম দলে রেখেছিলেন তিনি। যাতে পার্থক্যটা বোঝা গেল। শনিবার প্রতিপক্ষের মাঠে শুরু থেকেই গোলের জন্য ঝাঁপিয়ে ছিল ইস্টবেঙ্গল। যে কারণে সাত মিনিটেই এডমুন্ডের গোলে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। তির আগেও সুযোগ এসেছিল কিন্তু তার কাছে লাগাতে ব্যর্থ সিবলে। শুধু তাই নয়, প্রথম গোল করে এগিয়ে যাওয়ার পর, যেভাবে গোল মিসের বহর দেখা গেল তাতে, জিতে রাতের ঘুম উড়বে অস্কারের।
তার মধ্যেই গোলের সুযোগ হাতছাড়া করার কিছুক্ষণের মধ্যেই সমতায় ফেরে চেন্নাই। ইরফানের প্রথম প্রচেষ্টা পোস্টে লেগে ফিরলেও দমে যাননি তিনি। কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই ইরফান কাউন্টার অ্যাটাকে প্রভসুখন গিলে পরাস্ত করে ইস্টবেঙ্গল জালে বল জড়ান। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-১ গোলে। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি ইস্টবেঙ্গলের। একটা সময় তো মনে হচ্ছিল, এখানেও হয়তো পয়েন্ট নষ্ট করে ফিরবে কলকাতার দল। কিন্তু শেষে আবির জ্বলে ওঠে লাল-হলুদ ব্রিগেড।
বিপিন সিং আর নন্ধা কুমারের পর পর গোলে স্বস্তি ফেরে ইস্টবেঙ্গলে। বাঁদিক থেকে বিষ্ণুর ক্রসে বিপিনের নিখুঁত হেড আটকানোর সুযোগ পাননি প্রতিপক্ষ গোলকিপার। আর শেষে জিকসন থেকে মিগুয়েল হয়ে পাওয়া বল গোলে ঠেলে গোলের ব্যবধান বাড়িয়ে নেন নন্ধা। যার ফলে মোহনবাগানের সঙ্গে সাত ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে সমানে সমানে থাকলেও গোল পার্থক্যে এগিয়ে থাকল ইস্টবেঙ্গল।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
