Cart Total Items (0)

Cart

All Sports India

মুনাল চট্টোপাধ্যায়:‌ কুয়েতের আল আরাবির বিরুদ্ধে ঘরে যুবভারতীর মাঠে ৪-‌১ গোলে জিতে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের টায়ার টু-‌র মূলপর্বে খেলার যোগ্যতার্জন করেছে ইস্টবেঙ্গল। সেই জয়ের রেশ ধরে রেখে ডুরান্ড কাপ ঘরে তুলেছে লাল হলুদ ব্রিগেড। তারপর যেটুকু সময় পেয়েছেন ইস্টবেঙ্গলের চিফ কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস, তার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করেছেন এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের টায়ার টু-‌তে জর্ডনের ক্লাব আল হুসেইনের বিরুদ্ধে প্রথম অ্যাওয়ে ম্যাচের জন্য। ম্যাচটা খেলতে শনিবার জর্ডনের আম্মান রওনা হবে ইস্টবেঙ্গল। তার আগে শুক্রবার ইস্টবেঙ্গল মাঠে সন্ধেবেলা চুড়ান্ত প্রস্তুতি সারলেন কোচ হাবাস তাঁর ফুটবলারদের নিয়ে।

অনুশীলনে ফুটবলারদের শরীরি ভাষায় ও কোচ হাবাসের বক্তব্যে আল হুসেইনি ম্যাচ নিয়ে একরাশ আত্মবিশ্বাস ঝরে পড়েছে। সচরাচর অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে গেলে ক্লাব কোচেরা একটু বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করেন। বাইরের মাঠ থেকে এক পয়েন্ট পেলে অখুশি হন না। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল কোচ হাবাস অন্য ধাঁচে গড়া। তাঁর দর্শন সম্পূর্ণ আলাদা। বলেন, ‘‌ আমার কাছে কোনও ছোট বা বড় দল বলে কিছু নেই। সব দলই সমান শক্তিশালী। নিজেদেরও খাটো ভাবতে রাজি নই। আমি সব পরিস্থিতিতেই জেতার জন্য ফুটবলারদের খেলতে বলি। ড্রয়ের জন্য খেলতে বলি না। আল হুসেইনের বিরুদ্ধে তার কোনও ব্যতিক্রম হবে না। জেতার জন্যই খেলতে নামবে দল। এবার ৯০ মিনিট শেষে যে ফলই হোক, সেটা মেনে নেব।’‌

আল হুসেইনি দল সম্পর্কে কতটা জানা?‌ প্রস্তুতিই বা কেমন হয়েছে?‌ কোচ হাবাসের উত্তর, ‘‌ জর্ডনের চ্যাম্পিয়ন দল আল হুসেইনি শক্তি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছি। ওরা একজন ভাল স্ট্রাইকার নিয়েছে সদ্য। তবে সে খেলবে কিনা সেটা বোঝা যাবে। প্রস্তুতি ভালই হয়েছে। এবার দেখার মাঠে ফুটবলাররা কতটা সেরা দিতে পারছে। চিন্তা থাকছে জর্ডন যাওয়ার ধকল নিয়ে। কলকাতা থেকে বিমানে আম্মান পৌছতে ১৩ ঘন্টা লাগবে। সেই ক্লান্তি কাটিয়ে নতুন পরিবেশ ও মাঠে খেলতে হবে ফুটবলারদের।’‌

ইস্টবেঙ্গল ২৬ জন ফুটবলার নিয়েই আম্মান যাচ্ছে। যার মধ্যে ২৩ জনের নাম নথিভুক্ত হবে খেলার জন্য। হাবাসের দলে থাকছেন ৪ বিদেশি রামিরেজ, রশিদ, ইকোনোমিডিস ও ক্রোয়েশিয়ান ডিফেন্ডার জিবুলিচ। রশিদ গত দু’‌দিন পিঠের ব্যথায় অনুশীলন করেননি। তবে হাবাস তাঁকে সঙ্গে নিয়ে যাবেন। জানালেন, ফিট থাকলে খেলাবেনও। এও বলেন, ইকোনোমিডিস এখন পুরো ফিট। তাঁকে ম্যাচে ব্যবহার করার কথা ভেবে রেখেছেন। নাইজেরিয় স্ট্রাইকার ইফিয়ংকে না পাওয়ায় কি সসম্যা হবে, এই প্রশ্নে হাবাসের ঝাঁজালো প্রতিক্রিয়া, ‘‌ যে নেই তাকে নিয়ে ভাবতেই চাই না। ঘরের ছেলে ডেভিড কী কম নাকি?‌ ওর মতো স্ট্রাইকার এদেশে বিরল। তাছাড়া এডমুন্ড, জেসন টিকের মতো আক্রমণাত্মক ও গোলগেটার রয়েছে। দলের বাকি ফুটবলারদের ওপরও সমান ভরসা আছে ম্যাচ বের করতে।’‌

আল হুসেইনির বিরুদ্ধে ফল নিয়ে ভাবছেন না কোচ হাবাস। তাঁর লক্ষ্য ভাল খেলা। বলেই দিলেন, ম্যাচ ধরে ধরে এগোতে হবে। এখন থেকে চুড়ান্ত ফল কী হবে, তা ভেবে নিজেদের ওপর চাপ বাড়িয়ে লাভ নেই। আপাতত শুধু ফোকাস আল হুসেইনি ম্যাচে। ভারতীয় ক্লাব ফুটবলে আসল লক্ষ্য থাকে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হওয়া। তারপর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ভাল ফল করা। তাই দুটোকে ব্যালান্স করে এগোতে হবে সাফল্য পেতে।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Captcha loading...