অলস্পোর্ট ডেস্ক: ‘স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া’ (সাই)-এর সদর দফতরের ক্যান্টিন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ক্যান্টিন পরিচালনাকারী বিক্রেতা এলপিজি সরবরাহে ঘাটতির অভিযোগ তোলার পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়; যদিও একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে যে, এর মূল কারণ সম্ভবত বিক্রেতার প্রস্তাবিত “অত্যধিক মূল্যতালিকা”। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য মতে, সুবিশাল জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়াম চত্বরে অবস্থিত সাই-এর ক্যান্টিনটি প্রায় এক মাস ধরে বন্ধ হয়ে রয়েছে।
সূত্রটি জানায়, ‘‘শুরুতে বিক্রেতা এলপিজি সঙ্কটের অজুহাতে কেবল চা তৈরি করবেন বলে জানিয়েছিলেন, কিন্তু এখন সেটাও পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যে সব কর্মী ক্যান্টিনের খাবারের ওপর নির্ভরশীল, তারা বর্তমানে আশেপাশের অন্যান্য খাবারের দোকান বা রেস্তোরাঁ থেকে খেয়ে কাজ চালিয়ে নিচ্ছেন।’’
তবে, ক্যান্টিনের কার্যক্রম স্থগিত হওয়ার বিষয়টি স্টেডিয়ামে প্রশিক্ষণরত ক্রীড়াবিদদের ওপর কোনও প্রভাব ফেলবে না; কারণ তারা স্টেডিয়ামের নিজস্ব ‘মেস’ বা ভোজনশালায় খাওয়া-দাওয়া করেন, যা বর্তমানে পুরোদমে সচল রয়েছে।
দেশজুড়ে সাই-এর বিভিন্ন ‘ন্যাশনাল সেন্টার অফ এক্সিলেন্স’-এ অবস্থিত ক্যান্টিনগুলোও স্বাভাবিকভাবেই চলছে এবং এখন পর্যন্ত কোথাও রান্নার গ্যাসের কোনও ঘাটতির খবর পাওয়া যায়নি। জানা গিয়েছে, ক্যান্টিন পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত ওই বিক্রেতা মাত্র কয়েক মাস আগেই এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।
সাই-এর অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, ‘‘ওই বিক্রেতা খাবারের যে মূল্যতালিকা প্রস্তাব করেছিলেন, তা ছিল বেশ চড়া এবং কেন তিনি এত বেশি দাম নিচ্ছেন—তার কোনও যৌক্তিক ব্যাখ্যাও তিনি দিতে পারেননি। তাই এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা নিয়ে তার মনে এক ধরনের ক্ষোভ বা অসন্তোষ কাজ করছে।’’
সূত্রটি আরও যোগ করে, ‘‘মন্ত্রী এবং সাই-এর মহাপরিচালককে নিয়ে আয়োজিত বড় ধরনের বৈঠকগুলোতে ক্যান্টিন থেকে চা এবং হালকা নাস্তা যেমন ধোকলা, কাজুবাদাম ও মিষ্টি পরিবেশন করা হতো। এই খাবারের প্রতি প্লেটের জন্য তিনি ৪২৫ টাকা করে বিল করছিলেন। মহাপরিচালক (হরি রঞ্জন রাও) বিষয়টি জানতে পেরে অবিলম্বে এই কার্যক্রম বন্ধ করে দেন এবং খাবারের এই অত্যধিক মূল্যতালিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।’’ তার পরই কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয় ক্যান্টিনে।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
