সুচরিতা সেন চৌধুরী: ২২৩ রানের লক্ষ্য নিয়ে কলকাতার বিরুদ্ধে ব্যাট করতে নেমেছিলেন আরসিবির দুই ওপেনার বিরাট কোহলি ও ফাফ দু প্লেসি। কলকাতার হয়ে ওপেনিং বোলার হর্ষিত রানা। প্রথম বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে শুরু করেছিলেন কোহলি। ওভারের শেষ বলে আবার ছক্কা। শুরুতেই বড় রানের ইঙ্গিতটা দিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু বাধ সাধল তাঁর বিতর্কীত আউট। দ্বিতীয় ওভারে যখন বল করতে এলেন মিচেল স্টার্ক তখনও তুলে ছক্কা মারলেন একটা। কিন্তু তৃতীয় ওভারেই সবটা গন্ডোগোল হয়ে গেল। হর্ষিত রানার দ্বিতীয় ও আরসিবি ইনিংসের তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই তৈরি হল বিতর্ক। অনেকটা রাসেলের সঙ্গে যেমনটা হয়েছিল তেমনটাই হল। কিন্তু রাসেল বেঁচে গিয়েছিলেন, বিরাট আউট হলেন।
হর্ষিত রানার একটা মন্থর ফুলটস বেশ কিছুটা উঁচু হয়েই ব্যাটে আসে। বিরাট সেটিকে আটকাতে গিয়ে ব্যাটের মাঝে লেগে আরও খানিকটা উঠে যায় এবং হর্ষিতেরই হাতে এসে জমা হয়। আউটের আবেদন জানায় কেকেআর। সঙ্গে সঙ্গেই রিভিউ নেন বিরাট। কিন্তু রাসেলের মতো ভাগ্য ভাল ছিল না বিরাটের। টেলিভিশন আম্পায়ার তাঁকে আউট দেন। যা মোটেও ভালভাবে নেননি তারকা ব্যাটার। তবে তিনি যে এতটা প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারেন তা হয়তো তাঁর সতীর্থরাও বুঝতে পারেননি।
ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে যেতে যেতেও থমকে দাঁড়ান। ফিরে যান ফিল্ড আম্পায়ারের কাছে। রীতিমতো রেগে ছিলেন। কিছুতেই মানতে পারছিলেন না এই আউট। সামনেই ছিলেন দু প্লেসি। তাঁর সামনেই আম্পায়ারকে কিছু বলেন বিরাট। সেটা যে খুব ভাল কিছু ছিল না তা নিয়ে কোনও সংশয় নেই। কারণ যতটুকু দেখা গেল তাতে খুব রেগেই কিছু বলছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত বির বির করতে করতে মাঠ ছাড়েন তিনি।
সেখানেই শেষ নয়, রাগ যেন কিছুতেই পড়ছিল না তাঁর। মাঠ থেকে বেরতে বেরতে কয়েকবার ব্যাটও ঠুকলেন। তার পর ডাগ আউটে বসেও মাথা নাড়ছিলেন, যেন কিছুতেই মানতে পারছেন না এই আউট। পরবর্তী সময়েও দেখা গেল সেই বল নিয়ে সতীর্থদের বলছেন। বল কতটা উচ্চতায় উঠেছিল, কতটা ডিপ করছিল। কিছুতেই মানতে পারছিলেন না এই আউট। এর ব্যাখ্যা হয়তো পরবর্তী সময়ে দেবেন তিনি।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার
