Cart Total Items (0)

Cart

All Sports

সুচরিতা সেন চৌধুরী: ম্যাচের সেরা তিনি। যেখানে এই আইপিএল-এ বোলারদের হাল বেহাল সেখানে ইডেন গার্ডেন্সে তিন উইকেট নিয়ে বাজিমাত করেছেন বরুণ চক্রবর্থী। তার মধ্যে তাঁর বলে একটি নিশ্চিত ক্যাচও ফেলেন হর্ষিত রানা। তবুও তিন উইকেট নিয়ে শেষ করেন তিনি। যা প্রতিপক্ষ দিল্লির রানকে বড় রানে পৌঁছতে দেয়নি। এর পর ব্যাট হাতে বাকি কাজ করে দিয়েছেন ফিল সল্ট, শ্রেয়াস আইয়ার ও ভেঙ্কটেশ আইয়ার। এদিন ম্যাচের সেরা হয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন বরুণ। উইকেট না পাওয়ার হতাশা কাটিয়ে নিজের সেরা ম্যাচ খেলে ফেললেন তিনি। মেনে নিচ্ছেন সে কথা।

বলছিলেন, ‘‘আমি সব সময়ই নিজের সেরাটা দিয়েছি কিন্তু সেটা সেভাবে কাজে লাগেনি। আজ কাজে লেগেছে। যেখানে উইকেট সাহায্য করেছে। পিচ সাহায্য করেছে।’’ পিচ তাঁকে কীভাবে সাহায্য করেছে সেটাও তিনি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘আইপিএল-এর সব পিচই মন্থর। এদিন পিচে টার্ন ছিল একটু বেশি। লেনথ সব পিচেরই এক। শুধু উইকেট কীভাবে ব্যবহার করছে সেটা এখানে গুরুত্বপূর্ণ। এই ম্যাচে সাহায্য পেয়েছি।’’

পঞ্জাবের বিরুদ্ধে হাইস্কোরিং ম্যাচের পর এই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর পিছনে বড় ভূমিকা রেখেছেন তিনি। একটা হার থেকে শিক্ষা নিয়ে কীভাবে দল নিজেকে ফিরে পাওয়ার জন্য তৈরি করেছে সেই অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিয়েছেন বরুণ। তিনি বলেন, ‘‘আগের ম্যাচে আমরা রান ধরে রাখতে পারিনি। তার পর আমরা নিজেদের মধ্যে অনেক কথা বলেছি। বোলিং কোচ ভরত অরুণ, চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত, অভিষেক নায়ার, গৌতম গম্ভীর এমন কী শাহরুখ ভাইও গতকাল এসে আমার সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেছে এবং বলেছে বিষয়টা ব্যক্তিগতভাবে না নিতে এবং নিজের কাজ করে যেতে। এটা সত্যিই খুব সাহায্য করেছে আমাকে সেরা পারফর্মেন্স দিতে।’’

তবে তিনি মেনে নিয়েছেন, এখানকার হিট অ্যান্ড হিউমিড পরিবেশ সমস্যায় ফেলেছে। আঙুল ঘেমে যাওয়াটা বড় সমস্যায় ফেলেছে। তবে সেটাকে অজুহাত করতে চান না তিনি। বরং সব সমস্যাকে অনুশীলন দিয়ে ছাঁপিয়ে যাওয়ার কথাই বলছেন। তবে জয়ে ফেরার ম্যাচে তিনি ছাড়াও বৈভব অরোরা, মিচেল স্টার্ক, সুনীল নারিন উইকেট পেয়েছেন। সব বোলারদের প্রশংসাই শোনা গেল বরুণের গলায়। বলছিলেন, ‘‘ইডেন গার্ডেন্সে সবাই বড় রান করতে চায়। কিন্তু এদিন আমাদের বোলাররা তাঁদের সেরাটা দিয়েছে। বৈভব দারুণ বল করেছে, স্টার্ক উইকেট পেয়েছে। সব মিলে আমাদের বোলাররা সেরা কাজটা করে দিয়েছে।’’

তবে তিনি বলছেন, এই পিচে ১৮৫-১৯০ রান হওয়ার কথা ছিল এই পিচে। ওরা করে ফেলতেই পারত ১৯০-২০০ রান। তাহলে অন্যরকম হতে পারত। তবে আগের ম্যাচ থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার ফলই পেয়েছে দল পবলে মনে করছেন তিনি। সামনে মুম্বই ও লখনউয়ের ঘরের মাঠে ম্যাচ। এখন পাখির চোখ এই দুটো ম্যাচ। তার পর আবার ঘরের মাঠ।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *