Cart Total Items (0)

Cart

All Sports

অলস্পোর্ট ডেস্ক: আইপিএল ২০২৫-এর প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে যখন খেলতে নেমেছিল পঞ্জাব কিংস তখন টেবলের শীর্ষে থেকেই। কিন্তু রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে রীতিমতো মুখ থুবড়ে পড়তে হয়েছিল শ্রেয়াস আইয়ারদের। পুরো টুর্নামেন্টে দুরন্ত পারফর্ম করার পর প্রথম কোয়ালিফায়ারের পারফর্মেন্স চোখে লাগার মতোই ছিল। যদিও তাদের সামনে ছিল আরও একটা সুযোগ। টপ টু’য়ে শেষ করার এটাই বড় প্রাপ্তি। এলিমিনেটরে গুজরাট টাইটান্সকে হারিয়ে রবিবার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে পঞ্জাবের মুখোমুখি হয়েছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। অনেকেই বিরাট বনাম রোহিত ফাইনাল দেখছে। তার মধ্যেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার বৃষ্টির জন্য পিছিয়ে গেল দু’ঘণ্টা ঠিকই কিন্তু হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচ শেষে এক ওভার বাকি থাকতে পাঁচ উইকেটে মুম্বইকে হারিয়ে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার জিতে ১১ মরসুম পর ফাইনালে শ্রেয়াস আইয়ারের পঞ্জাব কিংস।

যদিও এই ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল কলকাতার ইডেন গার্ডেনে। কিন্তু বৃষ্টির পূর্বাভাস দেখিয়ে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ও ফাইনাল ম্যাচ স্থানান্তরিত করা হয় আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে। যেখানে বৃষ্টির জন্য সঠিক সময়ে খেলা শুরুই করা যায়নি। প্রায় সোয়া দু’ঘণ্টা পর খেলা শুরু হয়। এদিন টস জিতে প্রথমে মুম্বইকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন শ্রেয়াস আইয়ার। দুই দলের সামনেই লক্ষ্য ছিল জিতে ফাইনালে যাওয়া। প্রথমে ব্যাট করে ২০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে গেল মুম্বই। ধারাভাষ্যকররা বলছিলেনয, ২০০ রান করার পর মুম্বই নাকি কখনও হারেনি।

মুম্বইয়ের হয়ে এদিন ওপেন করতে নেমেছিলেন রোহিত শর্মা ও জনি বেয়ারস্টো। কেউই বিশাল কিছু রান করলেন না কিন্তু সকলেই তাঁদের টুকরো টুকরো রান দিয়ে দলের রানকে ২০৩ রানে পৌঁছে দিলেন। রোহিত ৮ রানে আউট হওয়ার পর বেয়ার স্টোর সঙ্গে দলের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান তীলক ভর্মা। বেয়ারস্টো ৩৮, ভার্মা ৪৪, সূর্যকুমার যাদব ৪৪, হার্দিক পাণ্ড্যে ১৫, নমন ধীর ৩৭ রান করে আউট হন। ৮ রানে রাজ বাওয়া ও রানের খাতা না খুলে মিচেল সাঁতনার অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২০৩ রান করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।

এদিন পঞ্জাবের হয়ে বল হাতে জোড়া উইকেট নেন আজমাতুল্লাহ ওমরজাই। একটি করে উইকেট নেন কেইল জেমিসন, মার্কাস স্তইনিস, বিজয়কুমার ও যুজবেন্দ্র চাহাল। ২০৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৬ রান করে ফিরে যান ওপেনার প্রভসিমরান সিং। ২০ রানে ফেরেন আর এক ওপেনার প্রিয়াংশ আর্য। জোশ ইঙ্গলিশ ৩৮ রানে ফেরার পর নেহাল ওয়াধেরাকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই শুরু করেন অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার। ওয়াধেরা ফেরেন ৪৮ রানে। ২ রান করে রান আউট হয়ে যান শশাঙ্ক সিং।

তার আগেই অবশ্য ২৭ বল্ নিজের হাফসেঞ্চুরিটি করে ফেলেছেন শ্রেয়াস, কঠিন সময়ে অধিনায়কচিত ইনিংসের মাধ্যমে। শেষ দুই ওভারে জিততে হলে পঞ্জাবের দরকার ছিল ২৩ রান। ১৭তম ওভারের শেষ বলে সিঙ্গল নিয়ে পরের ওভারের শুরু থেকেই ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন শ্রেয়াস। উল্টোদিকে তখন মার্কাস স্তইনিস। এবং যেমন ভাবা তেমন কাজ। ১৯তম ওভারের প্রথম বলেই অশ্বীনিকে বিশাল ছক্কা হাঁকিয়ে কাজটা অনেকটাই এগিয়ে দিয়েছিলেন অধিনায়ক। দ্বিতীয় বলে আবার ছক্কা। সেই ওভারে এল আরও একটি ছক্কা। ৭ বলে জিততে হলে পঞ্জাবের দরকার ছিল মাত্র ৩ রান। ১৯তম ওভারের শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে সেই লক্ষ্যে পৌঁছে দিলেন স্বয়ং ক্যাপ্টেন। যখন থামলেন তখন দলের জয়ের পাশাপাশি তাঁর নামের পাশে ৪১ বলে অপরাজিত ৮৭ রান।

১৯ ওভারে পাঁচ উইকেটে ২০৭ রান তোলে পঞ্জাব। যদিও লক্ষ্য ছিল ২০৪। তিন রান বাকি থাকতে ছক্কা হাঁকিয়ে জয় এনে দেন দ্য ক্যাপ্টেন। মুম্বইয়ের হয়ে ২ উইকেট নেন অশ্বীনি কুমার। একটি করে উইকেট নেন ট্রেন্ট বোল্ড ও হার্দিক পাণ্ডি।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *