অলস্পোর্ট ডেস্ক: ভারতের তারকা কুস্তিগীররা চাকরিতে ফিরলেও আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। সোমবার এমনটাই পরিষ্কার করে জানিয়ে দিয়েছেন তাঁরা। সাক্ষী মালিক, ভিনেশ ফোগত এবং বজরং পুনিয়া দেশের কুস্তি ফেডারেশনের শীর্ষকর্তা ব্রিজ ভূষণ শরণ সিংয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। তাঁরা তাঁদের চাকরিতে যোগ দিয়েছেন। তবে চাকরিতে ফেরা মানেই যে লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানো তেমনটা নয় বলেই জানিয়েছেন কুস্তিগীররা। সাক্ষী মালিক, ভিনেশ ফোগত এবং বজরং পুনিয়া ৩১ মে তাদের কাজ শুরু করেছেন, তাঁদের দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে সরিয়ে দেওয়ার কয়েকদিন পরই। গত এপ্রিল থেকে তাঁরা তাঁদের বিক্ষোভ চালাচ্ছিলেন।
এই ঘটনার পরই সাক্ষী মালিক ও বজরং পুনিয়াকে নিয়ে একটি খবর রটে যায় যে তাঁরা প্রতিবাদ থেকে সরে যাচ্ছেন। তবে এদিন তাঁরা সেই অভিযোগ খণ্ডন করেছেন। সাক্ষী জানান, “এটি আমাদের ন্যায়বিচারের লড়াই। আমরা কোনওভাবেই পিছিয়ে যাব না। আমরা রেলওয়েতে আমাদের কাজ আবার শুরু করেছি, তবে আমরা আমাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়েও কাজ করছি।’’
কুস্তিগীররা শনিবার সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল ব্রিজ ভূষণ শরণ সিং-এর বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের। যার বিরুদ্ধে একজন নাবালিকা-সহ সাতজন মহিলা কুস্তিগীরের যৌন হেনস্তার অভিযোগ রয়েছে। অমিত শাহ কুস্তিগীরদের আশ্বস্ত করেছেন যে আইন সবার জন্য সমান। তিনি কুস্তিগীরদের বলেন, “আইনকে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দিন।”
সাক্ষী মালিক এদিন বলেন, মিঃ শাহের সঙ্গে তাঁদের স্বাভাবিক কথোপকথন হয়েছিল। তিনি বলেন, “আমাদের একটাই দাবি – ব্রিজ ভূষণ সিংকে গ্রেফতার করা। যতক্ষণ না আমরা ন্যায়বিচার পাব ততক্ষণ আমরা আমাদের প্রতিবাদ চালিয়ে যাব।”
সূত্রের খবর, প্রতিবাদী কুস্তিগীররা কুস্তি ফেডারেশন প্রধানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাদের পাঁচ দিনের সময়সীমা শনিবার শেষ হওয়ার পরে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক চেয়েছিলেন। সেই মতো তাঁরা অমিত শাহ-র সঙ্গে দেখা করেন। তবে জানা যায় তাঁরা সেই সাক্ষাতে খুশি নন। যে কারণে মাঝ পথেই তাঁরা সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন। শনিবার রাত ১১টা নাগাদ অমিত শাহের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন কুস্তিগীররা। এর অআগে অনুরাগ ঠাকুরের সঙ্গে বৈঠকের পরও আশাবাদী হতে পারেননি কুস্তিগীররা।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার
