ছবি—বিসিসিআই এক্স
অলস্পোর্ট ডেস্ক: রবিবার হাই-ভোল্টেজ অ্যান্ডারসন-তেন্ডুলকর ট্রফিতে নাটকীয় মুহূর্ত তৈরি হয় যখন ভারতীয় ব্যাটসম্যান রবীন্দ্র জাডেজা এবং ওয়াশিংটন সুন্দর ইংল্যান্ড অধিনায়ক বেন স্টোকসের চতুর্থ টেস্ট দ্রুত শেষ করে ড্র করার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। এমন একটি আইন রয়েছে যার মাধ্যমে উভয় অধিনায়কই যদি মনে করেন যে ফলাফলের সম্ভাবনা অসম্ভব, তাহলে করমর্দন করে ড্র করার জন্য সম্মত হতে পারেন। একটি বিশ্বাসযোগ্য ড্র অর্জনের জন্য কঠোর পরিশ্রম করার পর, জাডেজা এবং ওয়াশিংটন যথাক্রমে ৮৯ এবং ৮০ রানে ব্যাট করছিলেন সেই সময়, স্টোকস যখন আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলে ভারতীয় ব্যাটারদের কাছে তাঁর প্রস্তাব রাখেন, কিন্তু তাঁর সেই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন দুই ভারতীয় ব্যাটার, যা ইংল্যান্ড অধিনায়ক মোটেও ভালো ভাবে নেননি।
ম্যাচ বাঁচানোর পর দু’জনেই সেঞ্চুরির কাছাকাছি পৌঁছানোর পর, তারা ব্যাটিং চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ড্রেসিংরুমও সেটাই চেয়েছিল। সেখান থেকে মাঠে তেমনই বার্তা ছিল ক্রিকেটারদের কাছে। কিন্তু ইংল্যান্ড ক্রিকেটাররা রীতিমতো নাছোড়বান্দা ছিলেন। তাঁরা বার বার দুই ভারতীয় ক্রিকেটারকে খোঁচাতে থাকেন। স্টোকস ছাড়াও জ্যাক ক্রাউলি এবং বেন ডাকেটকেও দেখা যায় দুই ভারতীয় ব্যাটারকে জিজ্ঞেস করতে, কেন তাঁরা খেলা চালিয়ে যেতে চান।
মাঠের মাইকে তাঁদের কথপোকথন স্পষ্ট ধরা পড়ছিল বার বার। সেখানেই শোনা যায় স্টোকস ব্যঙ্গ করে জাডেজাকে জিজ্ঞেস করছেন, “আপনি কি হ্যারি ব্রুকের বিরুদ্ধে শতরান করতে চান?” জাদেজা বলেন “আমি কিছুই করতে পারি না।” তাঁর মুখে সেই সময় হাসি লেগেছিল তবে কখনও সৌজন্য হারাননি। বরং তিনি প্রতিপক্ষ দলকে জানিয়ে দেয় এটা ড্রেসিংরুমের সিদ্ধান্ত, তাঁকে খেলা চালিয়ে যেতে হবে। শেষ পর্যন্ত হতাশ হয়ে খেলায় ফেরে ইংল্যান্ড। জাডেজা ও সুন্দর সেঞ্চুরি করার পর খেলা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত।
তবে ইংল্যান্ডের ভূমিকায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে ক্রিকেট বিশ্বে। প্রাথমিকভাবে নিয়ম অনুযায়ী একজন অধিনায়ক খেলা বন্ধের জন্য অনুরোধ জানাতেই পারেন কিন্তু বার বার তা নিয়ে খুঁচিয়ে যাওয়াটা নিয়ম বিরুদ্ধে যখন প্রতিপক্ষ দল তাঁর সিদ্ধান্ত রাজি হননি। এবং পরবর্তীতে ব্যঙ্গার্থক কথাবার্তাও ভালোভাবে নেয়নি ক্রিকেট দুনিয়া।
দেখুন সেই কথপকথোনের ভিডিও—
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
