অলস্পোর্ট ডেস্ক: পরপর দু’টো অলিম্পিকে পদকজয়ী নীরজ চোপড়াকে জুরিখ ডায়মন্ড লিগে রুপো জিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হল। সেখানে দু’বার ৯০ মিটারের ওপর দূরত্বে জ্যাভেলিন ছুঁড়ে সোনা জিতলেন জার্মানির ওয়েবার। নিজের সেরা ৯১.৫৭ মিটার দূরত্বে জ্যাভেলিন ছুঁড়ে নজির গড়লেন।
নীরজের শুরুর জ্যাভেলিন ছোঁড়ার দূরত্ব ছিল ৮৪.৩৫ মিটার। অধিকাংশ সময় ছিলেন তৃতীয় স্থানে। শেষ রাউন্ডে ৮৫.০১ মিটার দূরত্বে জ্যাভেলিন ছুঁড়ে নীরজ টপকে যান ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর কেশহর্ন ওয়ালকটকে (৮৪.৯৫ মিটার)। ওয়েবার শুরুর রাউন্ড থেকেই ছিলেন তুখোড় ফর্মে। প্রথম রাউন্ডে ৯১.৩৭ মিটার দূরত্বে জ্যাভেলিন ছোঁড়ার পর ৯১.৫৭ মিটার দূরত্বে ছুঁড়ে প্রথমবার ডায়মন্ড লিগ ট্রফি জিতে নিয়েছেন ওয়েবার।
তবে রুপো জিতে হতাশ নন নীরজ। বরং তাঁর প্রতিক্রিয়া,‘ এটা খুব খারাপ ফল নয়। তবে সামনে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ আসছে। তাই আমাকে আর একটু দূরে জ্যাভেলিন ছোঁড়ার চেষ্টা করতে হবে। কয়েকটা বিষয় ভাল গেলেও, সবকিছু ঠিকঠাক হয়নি এবার। শেষ রাউন্ডে ৮৫ মিটার দূরত্বে জ্যাভেলিন ছুঁড়তে পেরেছি। জুলিয়ানকে অভিনন্দন। খুশি ওর পারফরমেন্সে। ও দেখিয়েছে ৯১ মিটার ছোঁড়ার ক্ষমতা রাখে। তিন সপ্তাহের মধ্যে আবার আমাদের দেখা হবে। আমাকে আর ভালও ট্রেণিং করতে হবে। খেলায় কখন যে কী হয়, কে জানে না। সাফল্য নির্ভর করে দিনের পারফরমেন্সের ওপর। টোকিওতে সবটাই থাকবে অন্যরকম। জুলিয়ান, আমার বন্ধু। ও ভাল করলে আমার খারাপ লাগে না। বরং আমরা একে অপরকে পুশ করি সেরা দিতে। বড় ধরনের প্রতিযোগিতায় কত দূরে জ্যাভেলিন ছুঁড়লাম, সেটা খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। আসল হল সোনা জিততে পারলাম কিনা। সেই চেষ্টা নিয়েই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।’
ওয়েবার শুরু থেকে এগিয়ে থাকার পাশাপাশি শেষ রাউন্ডেও ৮৮.৬৬ মিটার দূরত্বে জ্যাভেলিন ছুঁড়ে বুঝিয়ে দেন, তাঁকে হারানো যাবে না। সোনা জিতে ওয়েবারের প্রতিক্রিয়া, ‘ ভাল ছন্দে ছিলাম। তবে ভাবিনি এতটা ভাল করব। প্রথম থ্রো থেকেই টেকনিক ও টাইমিং দারুন মেল খেয়েছিল। স্টেডিয়ামের পরিবেশ ছিল দুর্দান্ত। আমার ও আমার যমজ বোনের জন্মদিনের উপহার এটা। টোকিওর আগে এর থেকে ভাল আর কী হতে পারত? আত্মবিশ্বাস আরও বাড়ল, এই ফর্ম ধরে রাখতে।’
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
