অলস্পোর্ট ডেস্ক: বর্ণবিদ্বেষ নিয়ে সমস্যা ক্রিকেটে নতুন নয়। বর্ণবিদ্বেষের ঘটনা ইংল্যান্ড ক্রিকেটে প্রচুর ঘটেছে।এই বিষয় নিয়ে ইংল্যান্ড যথেষ্ট কাজ করে নি। তাই একটি প্রতিবেদনের পরেই ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান সিডনি বাটস বর্ণবিদ্বেষের ঘটনাকে নির্মূল করার জন্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এছাড়াও ক্রিকেটে মহিলা ও পুরুষদের সমান বেতন নিয়েও তিনি কাজ করবেন বলেছেন।
বর্ণবিদ্বেষ রুখতে ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড ২০২১ সালে একটি কমিশন গঠন করেছিল। সব খেলোয়ারদের যাতে সমান চোখে দেখা হয় সেই নিয়েই কাজ শুরু করে এই কমিশন। বর্ণবিদ্বেষ নিয়ে অনেক সমস্যা দেখা গিয়েছিল ক্রিকেটারদের মধ্যে। সেই কারণেই এই দল গঠনের সিদ্ধান্তে আসে কমিশন। ২০২০ সালে পাকিস্তানের বোলার আজিম রাফিককে খেলার মাঝে কটুক্তি করা হয়েছিল। এরপরেই তিনি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের কাছে এই বিষয়ে অভিযোগ করেছিলেন। কাউন্টি ক্রিকেটে ইর্য়াকশায়ারের একটি ম্যাচে এই ঘটনাটি ঘটেছিল। তারপরেই নড়েচড়ে বসে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।
আইসিইসি-এর একটি সাক্ষাৎকার থেকে জানা যায় বহু ক্রিকেটার এর আগে ইংল্যান্ডে বর্ণবিদ্বেষের শিকার হয়েছে। এছাড়াও মহিলা ক্রিকেটকে সবসময়ই গুরুত্ব কম দেওয়া হয়েছে। তাদের বরাবরই দ্বিতীয় শ্রেণিতে রাখা হয়েছে। মহিলা ক্রিকেটারদের বেতন অনেকটাই কম দেওয়া হয় পুরুষদের তুলনায়।
আইসিইসির চেয়ারম্যান সিডনি বাটস বলেছেন, “এই বিষয়ে আমরা অনুসন্ধানের জন্য যথেষ্ট কাজ করেছি। বর্ণবিদ্বেষ, পুরুষদের বেশী প্রাধান্য দেওয়া এগুলো আমরা গোড়া থেকে মুক্ত করতে চাই।‘ জানা গেছে ইংল্যান্ড ক্রিকেটে ২০৩০-এর মধ্যে মহিলা এবং পুরুষদের মধ্যে যে বিভেদ, তা পুরোপুরি নির্মূল করা হবে। আর্ন্তজাতিক ক্ষেত্রে বেন স্টোকসদের সমান টাকা দিতে হবে মহিলা ক্রিকেটারদের।
ক্রিকেট সবার জন্যই একটা খেলা। এটি একটি মনোরঞ্জনের দিক। একে কোনওভাবে কলুষিত করা যায় না। যদিও বহুদিন থেকেই মহিলা এবং কালোবর্ণের মানুষদের গুরুত্ব দেওয়া হয় না। বাটস এই বিষয়ের জন্য ক্রিকেটারদের কাছে দুঃখপ্রকাশ করেছেন।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার
