Cart Total Items (0)

Cart

All Sports

মুনাল চট্টোপাধ্যায়:‌ আগেই লেখা হয়েছিল আইএসএল ক্লাবগুলোর কাছে চিঠি পাঠিয়ে তাদের অংশগ্রহণের সম্মতি চেয়েছিল এআইএফএফের কমিটি। তিনদিন সময় দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়সীমা ১ জানুয়ারি বেঁধে দিয়েছে এআইএফএফের কমিটি। সাফ বলা হয়েছে, ফেডারেশনের দেওয়া প্রস্তাব মেনে, অপারেশনাল বাজেট খতিয়ে দেখে ২০২৬ সালের পরথম দিনের মধ্যেই যেন ক্লাবগুলো জানায় , তারা আইএসএল অংশগ্রহণ করবে কিনা?‌ তাদের সম্মতি পাওয়ার পরই এআইএফএফ ২ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রকের কাছে রিপোর্ট পেশ করবে। এবং আগের পরিকল্পনামতো বড়দিনের ছুটির পর আদালত খুললে সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতি পিএস নরসিমা ও জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে সেই রিপোর্ট জমা পড়বে ৫ জানুয়ারি।

হুঁশিয়ারি দেওয়ার সুরে ক্লাবজোটকে চিঠি দেওয়ার পিছনে কারণ একটাই, এআইএফএফ কমিটির মনে হয়েছে, কয়েকটি ক্লাব ইচ্ছাকৃত ভাবেই আইএসএল আয়োজনের ব্যাপারটা নিয়ে অহেতুক দেরি করিয়ে দিচ্ছে, নানা প্রশ্ন তুলে। এই দেরি হওয়ার কারণে আইএসএল আয়োজনের সময়টাই ক্রমশ কমে আসছে। দুটো ভেনু গোয়া ও কলকাতায় আইএসএল করতে গেলে যে ন্যুনতম ম্যাচ খেলতে হবে ক্লাবগুলো , তাতে ফেব্রুয়ারি খেলা শুরু করলেও তা মে মাসের শেষপর্যন্ত গড়াবে। স্বাভাবিকভাবে ক্লাবগুলোর অংশগ্রহণ নিয়ে সম্মতি না পেলে এআইএফএফ চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না ফরম্যাট, সূচী ও ম্যাচের সংখ্যা নিয়ে। কতগুলো ক্লাব খেলতে চায়,সেটা জানার পরই এএফসির সঙ্গে এআইএফএফ কমিটি সরাসরি কথা বলতে পারবে ন্যুনতম ম্যাচের সংখ্যা ঠিক করে। তারওপর নির্ভর করছে এএফসির স্লট পাওয়ার বিষয়টা। স্লট পেতে প্রতিটি দল যাতে ২৪টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়, সেটাই নিশ্চিত করতে চায় এআইএফএফের কমিটি। ওড়িশা যেমন বলে দিয়েছে, তাদের পক্ষে নিজেদের পকেট থেকে টাকা দিয়ে খেলা সম্ভব নয়। এর অর্থ ওড়িশাকে বাদ দিয়ে আইএসএল আয়োজনের কথা ভাবতে হবে এআইএফএফকে।

এআইএফএফের এই হুঁশিয়ারি চিঠির মধ্যে আরও একটা বার্তা লুকিয়ে আছে। সেটা হল, যদিও আইএসএল এতদিন এফএসডিএলের হাতে ছিল, সেখানে কোনও প্রোমোশন বা অবনমন ছিল না। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশানুযায়ী এখন থেকে আইএসএলের নিয়ন্ত্রণ থাকবে পুরোপুরি এআইএফএফের হাতে। সুপ্রিম কোর্ট এও রায় দিয়েছে, দেশের সর্বোচ্চ লিগে প্রোমোশন ও রেলিগেশন রাখতে হবে। সেটা ফেডারেশনের বার্ষিক সাধারন সভায় গৃহীত হয়েছে। তাই এবার যদি কোনও দল আইএসএলে না খেলে, তারা স্বাভাবিক নিয়মে অবনমনের আওতায় পড়বে। অবশ্য কোনও ক্লাব যদি পুরোপুরি দল তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে আর তাদের ক্ষেত্রে কোনও নিয়মই খাটবে না।

এখন দেখার এআইএফএফের কড়া চিঠি পেয়ে আইএসএল ক্লাবগুলো কতটা সাড়া দেয়?‌ নাকি ইগো বজায় রেখে এআইএফএফকে কৃতিত্ব না দিতে বাগড়া দিয়েই যাবে?‌

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *