Cart Total Items (0)

Cart

All Sports

অলস্পোর্ট ডেস্ক:‌ আইসিসি টি২০ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রেখে দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। শুক্রবার বা সোমবারের আগে তাঁরা এনিয়ে নিশ্চিত ভাবে কিছু বলতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন পিসিবির চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। তাঁর বক্তব্য, পাকিস্তান সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর বিশ্বকাপে খেলা নির্ভর করছে তাঁদের। তবে নাকভি যাই বলুন, ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ মহলের ধারনা, বাংলাদেশের মতো নিজেদের পায়ে কুড়ুল মারার মতো বোকামি পাকিস্তান করবে না। কারণ বিশ্বকাপ বয়কট করা মানে আইসিসির কড়া শাস্তির মুখে পড়ে। ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়া। যার পরিমান আনুমানিক ৩১৭ কোটি টাকা। তাই বয়কট নয়, অংশ্রহণ করে ভারতের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে নানা অঙ্ক পাকিস্তান কষে চলেছে ভেতরে ভেতরে। কিন্তু তাতেও সমস্যা বাড়বে পাকিস্তানের। অনেক আইনি ঝামেলায় জড়িয়ে যাবে তারা।

টি২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের দুটি ম্যাচ রয়েছে হল্যান্ড ও আমেরিকার বিরুদ্ধে। এই দুটি ম্যাচ জিতে গেলে ভারতের বিরুদ্ধে কলম্বোয় ১৫ ফেব্রুয়ারি ম্যাচ না খেললেও পাকিস্তানের নকআউটে যাওয়া আটকাবে না। এই ম্যাচে অংশ না নিয়ে বাংলাদেশের পাশা থাকার বার্তা দেওয়ার একটা ভাবনা চিন্তা আছে পাকিস্তানের। একইসঙ্গে পিসিবির তরফে বারবার বলা হয়েছে, আইসিসি দু’‌মুখো নীতি নিয়ে চলছে। এটা তার প্রতিবাদ। তবে এমন কিছ করবে কিনা, সেটা সময়ই বলবে। আগে তো সোমবারের মধ্যে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির জানানোর কথা, তারা আদৌ বিশ্বকাপে খেলবে কিনা।

ভেতরের খবর পাকিস্তান যতই হম্বিতম্বি করুক, তারা বিশ্বকাপে দল পাঠাবে। আর সেটা মাথায় রেখেই দল ঘোষণাও করেছে। বরং ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ না খেলা, আইসিসির ভূমিকার প্রতিবাদে বিশ্বকাপ চলাকালীন কালো আর্মব্যান্ড পরে খেলার জন্য চিঠি লিখে জানানোর মতো কার্যকলাপ অস্বাভাবিক নয় পাকিস্তানের পক্ষে।

পাকিস্তানের লিগাল সেল অবশ্য পিসিবিকে সতর্ক করেছে, বয়কট বা বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলার ভাবনা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে। বিশেষ ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ যেখানে প্রচুর রেভিনিউ অর্জন জড়িয়ে আছে। পাকিস্তানের আইনজীবিরা বলেছেন, বিশ্বকাপ বয়কট করলে ব্রডকাস্টাররা আইনি পদক্ষেপ নেবে আইসিসির বিরুদ্ধে। তখন আইসিসি গোটা ঘটনার জন্য পাকিস্তানকে দায়ি করবে। আর ক্ষতিপূরণ হিসেবে শুধু পাকিস্তান নয়, আইসিসি সদস্যভুক্ত সব দেশের লভ্যাংশ কেটে নেবে। ২০২৭ পর্যন্ত ব্রডকাস্টিংয়ের দায়িত্বে আছে জিওস্টার স্পোর্টস। এখান থেকে যে টাকাটা আসে, তা ক্রিকেট খেলিয়ে দেশগুলোর মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়। কোনও ধরনের বয়কট বা ভারত-‌পাকিস্তানের মধ্যে হাইভোল্টেজ ম্যাচ না হওয়ার অর্থ সেই রেভিনিউ অর্জনে বিশাল ক্ষতি ব্রডকাস্টারদের। তারা আইনি পথে হাঁটবে। যার দায় এসে পড়বে ঘুরিয়ে পাকিস্তানের ওপর। বার্ষিক আয় কমবে পাকিস্তানের সেক্ষেত্রে।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *