Cart Total Items (0)

Cart

All Sports India

অলস্পোর্ট ডেস্ক: টি২০ বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সেমিফাইনালে পৌঁছতে ভারতের জন্য এই ম্যাচ ছিল মাস্ট উইন। সুপার আটের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে না জিততে পারলে কার্যত সব আশা শেষ হয়ে যেত। যে কারণে এই ম্যাচ ঘিরে ছিল একাধিক হিসেব-নিকেশ। তার আগেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে কিছুটা হলেও ভারতের জন্য সুবিধে করে দিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়াদের সেমিফাইনাল প্রায় নিশ্চিতই বলা যেতে পারে। সেই খবর জেনেই জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে চিপকে খেলতে নেমেছিল ভারত। চিপকে টস জিতে প্রথমে ভারতকেই ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল জিম্বাবোয়ে অধিনায়ক সিকান্দর রাজা। প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ২৫৬-৪-এ থামে ভারতের ব্যাটিং। যে ব্যাটিং দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে রীতিমতো মুখ থুবড়ে পড়েছিল। টি২০-তে এই স্কোর যথেষ্ট জয় তুলে নেওয়ার জন্য। আর সেটাই হল। ৭২ রানের ব্যবধানে জিতে রান রেট বাড়িয়ে নিল ভারত।

এদিনের ম্যাচের আরও একটা আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠতে পারে, সেটা হল অভিষেক শর্মার রানে ফেরা। দীর্ঘ চার ম্যাচ পর তাঁর ব্যাটে রান এল। অনেক সমালোচনা সত্ত্বেও টিম ম্যানেজমেন্টের তাঁর উপর আস্থার মান রাখলেন অভিষেক। এদিন দলে ছিলেন সঞ্জু স্যামসনও। ফেরানো হল অক্ষর প্যাটেলকেও। সঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মাই ওপেন করতে নেমেছিলেন। যেখানে ২৪ রানে ফেরেন সঞ্জু। ৩০ বলে ৫৫ রানের ইনিংস খেলেন অভিষেক। তাঁর ইনিংস সাজানো ছিল চারটে বাউন্ডারি ও চারটি ওভার বাউন্ডারি দিয়ে। তিন নম্বরে নেমে ৩৮ রানের ইনিংস খেলেন ঈশান কিষাণ।১৩ বলে ঝোড়ো ৩৩ রান করে আউট হন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব।

এদিন অবশ্য বাকি সবাইকে পিছনে ফেলে দেয় হার্দিক পাণ্ড্যে ও তিলক ভার্মার ইনিংস। ২৩ বলে ৫০ রানের ইনিংস খেলেন হার্দিক। ১৬ বলে ৪৪ রান করেন তিলক। দু’জনের ইনিংসেই ছিল চারটি করে ওভার বাউন্ডারি। দু’জনেই অপরাজিত থাকেন। এদিন ভারতের ইনিংসে ছিল ১৭টি ওভার বাউন্ডারি। ভারত যখন থামে ততক্ষণে ২৫৬ রান করে ফেলেছেন ব্যাটাররা। যা টি২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলগত রান। জিম্বাবোয়ের হয়ে একটি করে উইকেট নেন রিচার্ড নাগার্ভ, ব্লেসিং মুজারাবানি, তিনোতেন্ডা মাপোসা ও সিকান্দর রাজা।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওপেনার ব্রায়ান বেনেট দলকে দুরন্ত একটা শুরু দেন। আর এক ওপেনার মারুমানি ২০ রান করে আউট হয়ে যাওয়ার পর তিন নম্বরে নেমে ৬ রান করে ফেরেন ডিয়ন মেয়ার্স। ৩১ রান করে কিছুটা ভরসা দেন স্বয়ং অধিনায়ক সিকান্দর রাজা। রানের খাতা না খুলেই ফেরেন রায়ান বার্ল। শেষ দুই ওভারে ১১ রানে টনি ও ৭ রানে ফিরলেন তাশিঙ্গা। শেষ পর্যন্ত লড়াই দেন ওপেনার ব্রায়ান। দুর্ভাগ্যবশত সেঞ্চুরিটা করতে পারলেন না। ৫৯ বলে ৯৭ রানে অপরাজিত থাকলেন তিনি। তবে একার লড়াই জয় এনে দিতে পারল না জিম্বাবোয়েকে।  উল্টোদিকে কেউ ধরে খেললেই ভারতকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে পারত জিম্বাবোয়ে। ২০ ওভারে ১৮৪-৬-এ থামল জিম্বাবোয়ে।

ভারতের হয়ে তিন উইকেট নেন অর্শদীপ সিং। একটি করে উইকেট বরুণ চক্রবর্থী ও অক্ষর প্যাটেলের। দুই ম্যাচ হেরে সুপার আট থেকেই কার্যত বিদায় নিশ্চিত করে ফেলল রীতিমতো প্রত্যাবর্তন ঘটানো জিম্বাবোয়ে। ভারত আশা জিইয়ে রাখল সেমিফাইনালে। তবে শেষ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে কলকাতার মাটিতে জয় তুলে নিতে হবে সূর্যকুমারদের। ম্যাচের সেরা বেছে নেওয়া হয়েছে হার্দিক পাণ্ড্যেকে।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *