Cart Total Items (0)

Cart

All Sports

অলস্পোর্ট ডেস্ক:‌ রবিবার থেকে অস্ট্রেলিয়ার পার্থ, সিডনি, গোল্ডকোস্ট মিলিয়ে শুরু হচ্ছে এএফসি মহিলা এশিয়ান কাপ প্রতিযোগিতা। ২০ দিনের এই টুর্নামেন্টে ১২ টি দল ২৭ টি ম্যাচে অংশ নেবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে। এই প্রতিযোগিতার শেষে বোঝা যাবে ২০২৭ ব্রাজিল মহিলা বিশ্বকাপ ও ২০২৮ লস এঞ্জেলস অলিম্পিক্সে কোন দল খেলার সুযোগ পাবে। এশিয়ান কাপে নিজেদের যোগ্যতায় মূল পর্বে খেলার সুযোগ করে নেওয়া ভারতীয় সিনিয়র মহিলা ফুটবল দলের চোখে একরাশ স্বপ্ন সেই বিশ্বকাপ ও অলিম্পিক্সে জায়গা পেতে। তাঁদের মুখে এখন একটাই শ্লোগান, এটাই সঠিক সময় নিজেদের লক্ষ্যপূরণের।

এশিয়ান কাপে সাফল্য পেতে অস্ট্রেলিয়া পৌঁছে গিয়েছিল ভারতীয় সিনিয়র মহিলা ফুটবল দল। চুড়ান্ত পর্বের প্রস্তুতি সারতে। ভারতীয় দলের জন্য একটা বড় আঘাত চোটের জন্য অঞ্জু তামাংয়ের ছিটকে যাওয়া। তাছাড়া বৃহস্পতিবারের আগে ভারতীয় দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেননি পেরুর ক্লাবে খেলা দলের মস্ত ভরসা মনীষা কল্যান। আন্তর্জাতিক ব্রেকের আগে তাঁকে ছাড়তে চায়নি পেরুর ক্লাবটি। এতে তুরস্ক ও অস্ট্রেলিয়ায় দলের প্রস্তুতি মিস করেছেন মনীষা। প্রীতি ম্যাচগুলোতেও অংশ নিতে পারেননি।

তবে ভারতীয় সিনিয়র এই মহিলা দলটি নবীন ও অভিজ্ঞ ফুটবলারে ভরা। এই দলে এমন ৭জন আছেন, যাঁরা ২০২২ এশিয়ান কাপ প্রতিযোগিতায় ঘরের মাঠে ভারতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। কিন্তু কোভিড সংক্রমণের কারণে ভারতীয় দলের অংশগ্রহড় বাতিল হয়ে যায় এক ম্যাচ পরেই। তাঁরা এবার অস্ট্রেলিয়ায় নিজেদের না খেলার আক্ষেপ মেটাতে পারবেন। একইসঙ্গে ৬জন ফুটবলার রয়েছেন, যাঁদের এখনও জাতীয় দলের জার্সিতে বড় মঞ্চে অভিষেক ঘটেনি।

ভারতীয় দলকে এশিয়ান কাপের মূল পর্বে তুলেছিলেন কোচ ক্রিসপিন ছেত্রী। এশিয়ান কাপের আগে সঙ্গীতা বাসফোর, মনীষা কল্যানদের খেলার ধার বাড়াতে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন ভারতীয় সিনিয়র মহিলা ফুটবল দলের মূল দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন কোস্টা রিকার জাতীয় দলের প্রাক্তন কোচ আমেলিয়া ভালভার্দের হাতে। তাঁর মতে, ‘‌ ভারতীয় সিনিয়র দল ইতিমধ্যেই ইতিহাস গড়েছে নিজেদের যোগ্যতায় এশিয়ান কাপে জায়গা করে নিয়ে। ভারতীয় মহিলা ফুটবলের জন্য যেটা একটা বড় ব্যাপার। একইসঙ্গে অনূর্ধ্ব ১৭ ও ২০ দল এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলবে। এতে বলতে দ্বিধা ভারতের মহিলা ফুটবল এগোচ্ছে।’‌

ভারতীয় সিনিয়র মহিলা দলের প্রথম পরীক্ষা ৪ মার্চ ভিয়েতনামের বিরুদ্ধে। লড়াইটা বেশ কঠিন। ২০২২য়ে কোয়ার্টারফাইনালে পৌঁছে ভিয়েতনাম বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতার্জন করেছিল। ১৯৯৯ থেকে তারা লাগাতার বিশ্বকাপে খেলছে। ৭ মার্চ দু’‌বারের চ্যাম্পিয়ন জাপানের মুখোমুখি হবে ভারত। ১৭ বার অংশ নিয়ে ১৫ বার সেমিফাইনালিস্ট জাপান। প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের ১৬ জন ফুটবলার ইংল্যান্ডের ক্লাবে খেলেন। তার মধ্যে অধিনায়ক ইউই হাসেগাওয়া খেলেন ম্যাঞ্চেস্টার সিটিতে। ১০ মার্চ শেষ ম্যাচে ভারতের প্রতিপক্ষ চাইনিজ তাইপে। কোনও অংশে তাদের খাটো করে দেখা যাবে না।

প্রতিযোগিতার প্রথম ৬ স্থানে দল (‌ ৪ সেমিফাইনালিস্ট ও হেরে যাওয়া কোয়ার্টারফাইনালিস্টের মধ্যে ম্যাচের বিজয়ী দুই দল)‌ সরাসরি ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার সুযোগ পাবে। কোয়ার্টারফাইনালিস্টের মধ্যে প্লেঅফে হেরে যাওয়া ২ দল এবছরই ইন্টার কন্টিনেন্টাল প্লেঅফ খেলার সুযোগ পাবে বিশ্বকাপে খেলার আশা জিইয়ে রাখতে। কোয়ার্টারফাইনালিস্ট সব কঠি দলই এশিয়া থেকে ২০২৮ অলিম্পিক্সে সরাসরি খেলার ছাড়পত্র অর্জন করবে। ভারতীয় মহিলা ফুটবলারদের এখন চোখ সেদিকেই।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *