Cart Total Items (0)

Cart

All Sports

অলস্পোর্ট ডেস্ক: তরুন গ্র্যান্ডমাস্টার আর প্রজ্ঞানন্ধা মাত্র ১৮ বছর বয়সে প্রথম ভারতীয় যিনি  ফিডে আয়োজিত দাবা বিশ্বকাপের ফাইনালে যেতে পেরেছিলেন। তিনি শুধু নিজের দেশকেই নয় গর্বিত করেছেন গোটা বিশ্বকে। প্রজ্ঞানন্ধাই ছিলেন বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলা সর্বকনিষ্ঠ ভারতীয়। যেখানে তিনি টাই-ব্রেকারে বিশ্বের এক নম্বর ম্যাগনাস কার্লসেনের কাছে হেরে যান। প্রজ্ঞানন্ধা দেশে ফিরে শুভেচ্ছার জোয়ারে ভেসেছেন। এরপর তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও দেখা করে‌ছেন। একটি সাংবাদিক সম্মেলনে প্রজ্ঞানন্ধা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কথোপকথন শেয়ার করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় প্রজ্ঞানন্ধা যে শুধু দাবা নিয়েই আলোচনা করেছেন তাই নয়। তাঁদের মধ্যে ক্রিকেট নিয়েও আলোচনা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রিয় ক্রিকেটারের নাম জানতে চেয়েছিলেন। প্রজ্ঞানন্ধা জানিয়েছেন তাঁর প্রিয় ক্রিকেটার হলেন ভারতের অভিজ্ঞ অফ-স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

‘‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে আমি খুবই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছিলাম। তিনি আমাকে আমার প্রশিক্ষন, আমার বাবা কী করেন এই সব নিয়ে আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন। আমি তাঁর সঙ্গে এই আলোচনা খুবই উপভোগ করেছি,’’ বলেন প্রজ্ঞানন্ধা। তিনি আরও বলেছেন যে দাবা ছাড়াও তাঁর ক্রিকেট অন্যতম পচ্ছন্দের খেলা। যদি ক্রিকেট থেকে একজন পচ্ছন্দের খেলোয়াড় বেছে নিতে হয় তাহলে তিনি হচ্ছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

এছাড়াও প্রজ্ঞানন্ধা তাঁর খাদ্যাভ্যাস, ফিটনেস পদ্ধতি ইত্যাদি শেয়ার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন প্রত্যেকদিন যোগ ব্যায়াম এবং ধ্যান করেন তিনি। তাঁর প্রিয় খাবারের কথা জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জানিয়েছেন ভারতীয় সুস্বাদু খাবারগুলিই তাঁর প্রিয়।

‘‘আমি একাগ্রতা বাড়াতে যোগব্যায়াম এবং ধ্যান করি। আমার ভারতীয় খাবার খুবই পচ্ছন্দের। ভারতীয় খাবার আমি সবসময়ই উপভোগ করি। আর সবচেয়ে বেশী পচ্ছন্দের বাড়িতে মায়ের হাতে রান্না করা খাবার,’’ বলেছেন প্রজ্ঞানন্ধা।

বাকুতে দাবা বিশ্বকাপের সময় প্রজ্ঞানন্ধা তাঁর মায়ের সঙ্গে ছিলেন। খেলার সময় প্রজ্ঞানন্ধার মনে কী চলছে তা কেউ না বুঝতে পারলেও তাঁর মা ঠিকই বুঝতে পেরেছিলেন।

‘‘যাঁরা আমাকে খুব ভাল করে চেনেন তাঁরা খেলার সময় আমার মুখ দেখে আমার মনের অবস্থা বুঝতে না পারলেও আমার মা ঠিকই বুঝতে পারেন,’’ বলেছেন প্রজ্ঞানন্ধা।

তিনি আরও বলেছেন, ‘‘আমার মায়ের সমর্থন আমার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন। বিশেষ করে মানসিক সমর্থন। আমার মা আমার সবকিছুর যত্ন নেন। এর পাশাপাশি পরিবারের সমর্থনও আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ন। ’’তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘‘মানসিক বিশ্রামের জন্য আমি সিনেমা দেখি।’’

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *