Cart Total Items (0)

Cart

All Sports
রবিচন্দ্রন অশ্বিন

অলস্পোর্ট ডেস্ক: রাজকোট টেস্টের দ্বিতীয় দিন এক উইকেট নেওয়ার সঙ্গেই নিজের ৫০০ উইকেট সমপূর্ণ করলেন রবিচন্দ্রনন অশ্বিন। এই বিশাল অ্যাচিভমেন্টের পর দিনের খেলা শেষে তাঁরই সাংবাদিক সম্মেলনে যাওয়ার কথা ছিল কিন্তু ম্যাচ শেষে তিনি ফিরে গিয়েছিলেন তাঁর চেন্নাইয়ের বাড়িতে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের তরফে এক বার্তায়জানানো হয়েছিল পারিবারিক মেডিক্যাল ইমার্জেন্সির কারণেই তাঁখে খেলার মাঝ পথে বাড়িতে ফিরে যেতে হয়েছে। কিন্তু সেই মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি কী তা নিয়ে কোনো খোলসা করেনি বিসিসিআই বা অশ্বিন। রবিবার চতুর্থ দিন দলের সঙ্গে যোগ দেন অশ্বিন। প্রথম সেশনে না থাকলেও তিনি পড়ে মাঠে নামেন এবং উইকেট নেন।

এর পর অশ্বিনের স্ত্রী প্রীতি তাঁর ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লেখেন, তাঁদের পরিবারের জন্য ওই দুই দিন কতটা কঠিন ছিল। তিনি তাঁর ইনস্টাগ্রামে লেখেন, “আমরা হায়দরাবাদ থেকে ৫০০ উইকেট তাড়া করছি, কিন্তু সেটা হয়নি। এর পর বিশাখাপত্তনমেও হয়নি। ৪৯৯ হওয়ার পর আমি মিষ্টি কিনে বাড়িতে সবাইকে দিয়েছিলাম। কিন্তু যখন ৫০০ হল তখন তেমন কিছুই হল না। ৫০০ ও ৫০১-এর মাঝে অনেক কিছু ঘটে গিয়েছে। দীর্ঘতম ৪৮ ঘণ্টা আমাদের জীবনের।”

“কিন্তু ৫০০ উইকেট সম্পর্কে। এবং তার আগে ৪৯৯। অসাধারণ সাফল্য। অসাধারণ মানুষ। আমি গর্বিত তোমাকে নিয়ে রবি অশ্বিন। আমরা তোমাকে ভালবাসি,” যোগ করেন প্রীতি।

তবে এখনও অজানা ঠিক কী ঘটেছিল অশ্বিনের পরিবারে। একটা সূত্র থেকে জানা গিয়েছে অসুস্থ হয় হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল অশ্বিনের মাকে। কিন্তু বোর্ড বা অশ্বিন সেই সম্পর্কে কিছুই বলেননি। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধ তৃতীয় টেস্ট রেকর্ড করে জিতে নিয়েছে ভারত। চাার দিনেই শেষ হয়ে যায় ম্যাচ। এই ম্যাচে যেমন ভারতীয় ব্যাটাররা সাফল্য পেয়েছেন তেমনই বল হাতেও সফল ক্রিকেটাররা। বিশেষ করে রবীন্দ্র জাডেজা। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসে পাাঁচ উইকেট তুলে নেন।

এছাড়া প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছিলেন রোহিত শর্মাও। হাফ সেঞ্চুরি করেন সরফরাজ খান। হতাশাজনকভাবে রান আউট না হলে তিনিও সেঞ্চুরি পেতে পারতেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ডবল সেঞ্চুরি করেন যশস্বী জয়সওয়াল। ৯১ রানে আউট হন শুভমান গিল। আবারও হাপ সেঞ্চুরি করেন সরফরাজ। টি২০ বিশ্বকাপের আগে ভারতের এই পারফরমেন্স ভরসা দেবে টিম ম্যানেজমেন্টকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *