অলস্পোর্ট ডেস্ক: এক ম্যাচে একই দলের তিন ব্যাটসম্যানের হাফ সেঞ্চুরি ও দুজনের সেঞ্চুরি কবে হয়েছে এর আগে মনে পড়ছে নাা। তবে ওডিআই বিশ্বকাপ ২০২৩-এ ভারতীয় ক্রিকেট দল যে ফর্মে রয়েছে তাতে এটাও সম্ভব। রবিবার বেঙ্গালুরুতে লিগ পর্বের শেষে ম্যাচে ভারতের প্রতিপক্ষ ছিল নেদারল্যান্ডস। এর আগে পর্যন্ত আট ম্যাচ খেলে আটটিতেই জয় তুলে নিয়েছিল ভারত। নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে যে তার অন্যথা হবে না তা ধরেই নেওয়া হয়েছিল। হলও তাই। ন’য়ে নয় করেই সেমিফাইনালে খেলতে নামবে ভারত। নেদারল্যান্ডসকে ১৬০ রানে হারিয়ে দিল ভারত।
এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারত। ওপেন করতে নেমে রোহিত শর্মাা ও শুভমান গিল জুটিতে ১০০ রান তুলে ভারতের জন্য বড় রানের ঝাণ্ডাটা গেড়েই দিয়েছিল। বাকিটা করে দিল মিজল অর্ডার। রোহিত শর্মা ৫৪ বলে ৬১ ও শুভমান গিল ৩২ বলে ৫১ রানের ইনিংস খেলে আউট হন। তিন নম্বরে নামা বিরাট কোহলির ব্যাট থেকে আসে ৫১ রান। প্রথম তিন ব্যাটার দলগত রানকে দেড়শোর উপরে নিয় যাওয়ার পর ভারতের রানকে ৪০০ পার করে দেন শ্রেয়াস আইয়ার ও লোকেশ রাহুল।
শ্রেয়াস আইয়ার ৯৪ বলে ১২৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাঁর এই ইনিংস সাজানো ছিল ১০টি বাউন্ডারি ও পাঁচটি ওভার বাউন্ডারি দিয়ে। কিন্তু এদিন বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন কেএল রাহুল। ৬৪ বলে ১০২ করেন ১১টি বাউন্ডারি ও চারটি ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে। ২ রান করে অপরাজিত থাকেন সূর্যকুমার যাদব। ৫০ ওভারে ভারত থামে ৪১০-৪-এ। নেদাল্যান্ডসের হয়ে জোড়াা উইকট নেন বাস দে লিডস। একটি করে উইকেট নেন পল ভ্যান ও রোলোফ ভ্যান।
জবাবে বিপুল রানের পাহাড়ের সামনে শুরু থেকেই নড়বড়ে ছিল নেদারল্যান্ডসের ব্যাটিং। ওয়েসলি ৪, ম্যাক্স ৩০, কোলিন ৩৫, এঙ্গেলব্রেচ ৪৫, স্কট ১৭, বাস দে ১২, তেজ ৫৪ রান করে কিছুটা লড়াই দেন, লোগান ১৬, রোলোফ ১৬, আরিয়ান ৫ রান করে আউট হন। ৪৭.৫ ওভারে ২৫০ রান করে অলআউট হয়ে যায় নেদারল্যান্ডস।
এদিন ভারতের হয়ে ব্যাট হাতে বাজিমাত করার পর বল হাতেও চমক দেখান রোহিত, বিরাট। রোহিত তিন ওভার বল করে এক উইকেট নেন। অন্যদিকে রোহিত মাত্র পাঁচ বল করে এক উইকেট নেন। এছাড়া দুটো করে উইকেট নেন যশপ্রীত বুমরাহ, মহম্মদ সিরাজ, কুলদীপ যাদব ও রবীন্দ্র যাদব। তবে ব্যাটসম্যানদের উইকেট পাওয়ার দিনে ঝুলি শূন্য বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেট টেকার মহম্ম শামির।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার
