Cart Total Items (0)

Cart

All Sports
আইএসএল ২০২৩-২৪

অলস্পোর্ট ডেস্ক: আইএসএলে নতুন বছরের প্রথম জয় পাওয়ার পর ফের আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছে ইস্টবেঙ্গলে কোচ কার্লস কুয়াদ্রাতকে। কারণ, তাঁর দল এখন সেরা ছয়ের দোরগোড়ায়। বৃহস্পতিবার পরবর্তী ম্যাচে জামশেদপুর এফসি-কে হারাতে পারলেই সেরা ছয়ে ঢুকে পড়বে তারা। কিন্তু সেরা ছয়ে নিজেদের জায়গা ধরে রাখতে গেলে ধারাবাহিকতাও বজায় রাখতে হবে লাল-হলুদ বাহিনীকে। তাই এখন পরের ম্যাচে ‘ফোকাস’ করতে চান স্প্যানিশ কোচ।  

শনিবার হায়দরাবাদ এফসি-কে ১-০-য় হারানোর পর আশাবাদী কুয়াদ্রাত বলেন, “এখন প্রতি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। যারা প্লে অফে প্রায় পৌঁছে গিয়েছে বলে মনে হচ্ছে, তাদের ইতিমধ্যেই সাত-আটটা করে ম্যাচ জেতা হয়ে গিয়েছে। আমাদের মতো অনেক দলই রয়েছে, যাদের তিনটি করে জয় আছে। তাই এখন ছ’টা দলের মধ্যে দৌড় শুরু হয়েছে, যা বেশ কঠিন হতে চলেছে”।

শনিবার রাতে চলতি লিগের তিন তৃতীয় জয়টি পেল তারা। ম্যাচের এগারো মিনিটের মাথায় ক্লেটন সিলভার গোলে এ দিন জয়ে ফেরে তারা। এর আগের ছ’ম্যাচে জয়হীন থাকার পরে এই ম্যাচে জয়ে ফিরে কুয়াদ্রাত কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন বলেই মনে হল।    

দল তিন পয়েন্ট পাওয়ায় খুশি কোচ বলেন, “চোট-আঘাত, কার্ড সমস্যা ও নতুন খেলোয়াড়দের জন্য আমরা দুঃসময় কাটিয়ে এসেছি। এ বার আমাদের বোঝাতে হবে, আমরা কী ভাবে খেলতে চাই। এর জন্য সময় দরকার। তাই আজকের তিন পয়েন্টটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল”।

এক গোলে জিতলেও এ দিন গোলের সংখ্যা আরও বাড়াতে পারত ইস্টবেঙ্গল। একাধিক সুযোগ হাতছাড়া করে তারা। সারা ম্যাচে তাদের তিনটি শট ছিল লক্ষ্যে, সেখানে তাদের আরও আটটি শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। গোলের সংখ্যা যে আরও বাড়তে পারত, তা স্বীকার করে কুয়াদ্রাত বলেন, “আমাদের অনেক আগেই আরও একটা গোল করে ফেলা উচিত ছিল। তার মানে আমরা শেষের সেই মুহূর্ত পর্যন্ত যেতে পারছি না, যে সময়ে গোল খাওয়ার যথেষ্ট ঝুঁকি থাকে। আমাদের ক্লেটন সিলভা ও ফেলিসিও ব্রাউন ভাল ভাল সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য যে, সেগুলো থেকে গোল পাইনি। হয়তো ওরা পরের ম্যাচের জন্য গোল বাঁচিয়ে রেখেছে। প্রতিপক্ষের তৈরি করা সুযোগগুলো আমরা ক্লিয়ার করে দিতে পেরেছি। এটাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ দিক”।

এ দিন গোল না খেয়ে জেতার জন্যও খুশি হন স্প্যানিশ কোচ। চলতি লিগে এই নিয়ে মোট ছ’বার ক্লিন শিট রেখে মাঠ ছাড়ল ইস্টবেঙ্গল। তার মধ্যে দু’বার জেতে তারা। বাকি চারটি ম্যাচেই ড্র হয়। কোচ মনে করেন, ক্লিন শিটের সংখ্যা আরও বাড়াতে হবে তাদের। বলেন, “ক্লিন শিটের জন্য আমি খুশি। এই মরশুমে ছ’টি ক্লিন শিট রাখতে পারলাম আমরা। ইতিমধ্যেই আমাদের ১৪টা ম্যাচ খেলা হয়ে গিয়েছে। তার মানে প্রায় অর্ধেক ম্যাচে আমরা কোনও গোল খাইনি। কঠিন প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠার জন্য আমাদের এ রকম ক্লিন শিট রাখা খুবই জরুরি। আমাদের গোলপার্থক্যও +২। যে সংখ্যা নিয়ে প্লে অফে পৌঁছনো যায়, সেই সংখ্যা আমাদের কাছে আছে। এখন আমাদের কাজ পরিশ্রম করে যাওয়া এবং জামশেদপুরের বিরুদ্ধে পরের ম্যাচে মনোনিবেশ করা”।

(লেখা আইএসএল ওয়েব সাইট থেকে)

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *