Cart Total Items (0)

Cart

All Sports India

সুচরিতা সেন চৌধুরী:  দুরন্ত ব্যাটিং, দুই পক্ষেরই। একাধিক রেকর্ড। এই ম্যাচের শেষ রেকর্ডটি হল টি২০ ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয় তুলে নেওয়া। এছাড়া ইডেনের মাঠে সর্বোচ্চ দলগত রান, সর্বোচ্চ ওপেনিং পার্টনারশিপ-সহ একাধিক রেকর্ড হল। কলকাতার ঘরে মাঠে শেষ হাসি হাসল পঞ্জাব কিংস। ঘরের মাঠে এই নিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে হারের মুখ দেখতে হল শ্রেয়াস আইয়ারদের। আইপিএল ২০২৪-এ এই নিয়ে আট ম্যাচে তিন ম্যাচে হারতে হল কলকাতাকে। ম্যাচ শেষ রীতিমতো থমথমে দেখাচ্ছিল কলকাতার মেন্টর গৌতম গম্ভীরের মুখ। ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই মাঠ ছেড়েছিলেন শাহরুখ খান। যিনি সব ম্যাচের পরই মাঠে নামেন, প্লেয়ারদের সঙ্গে দেখা করেন, কথা বলে‌ন। এদিন তাঁকে মাঠে দেখা গেল না। যখন ঘরের মাঠে ম্যাচ হেরে বিমর্ষ কলকাতা তখন ন’নম্বর দল হিসেবে লিগের দ্বিতীয় দলকে হারিয়ে উচ্ছ্বসিত পঞ্জাব কিংস।

পঞ্জাব কিংস অধিনায়ক স্যাম কুরান ম্যাচ শেষে বলেন, ‘‘খুব খুশি। সবচেয়ে বড় জয়, ক্রিকেট বেসবলে পরিণত হয়েছে তাই না? আমরা দুই পয়েন্ট নিয়ে খুশি। দল হিসেবে আমাদের কয়েক সপ্তাহ কঠিন গিয়েছে। স্কোরের কথা ভুলে যান, আমাদের এই জয় প্রাপ্য। বিভিন্ন বিষয় রয়েছে, ছেলেরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বল মারতে পারে, কোচ, প্রশিক্ষণ, শিশির, ডট বল পর্যালোচনার পরে অনেকবেশি ভালভাবে সামনে আসে।’’

এদিন এক কথায় পঞ্জাবের জয়ের কারিগর জনি বেয়ারস্টো। স্বাভাবিকভাবেই প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচও তিনি। তিনি বলেন, ‘‘আমরা একটা ভাল শুরু করেছি এবং সেটাই ছিল আসল। সুনীলকে ধন্যবাদ তারা রানকে ওই পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে তাই আমরা বুঝতে পেরেছি আমরা পাওয়ার প্লে-তে কী করতে পারি।’’

তিনি আরও বলেন,  ‘‘এগিয়ে যাওয়ার জন্য আপনাকে ঝুঁকি নিতে হবে। আপনি যখন ২০০-এর বেশি রান তাড়া করতে নামবেন তখন আপনাকে পাওয়ারপ্লেতে ঝুঁকি নিতে হবে। চেষ্টা করতে হবে এবং যতটা সম্ভব শক্তিশালী ব্যাটিং করতে হবে। আমরা যতটা সম্ভব কম উইকেট হারাতে চেয়েছিলাম। শশাঙ্ক পুরো মরসুমে এই খেলাটা খেলেছে, একজন দারুণ খেলোয়াড়। তার অনেকটাই কৃতিত্ব রয়েছে।’’

ম্যাচ শেষে একরাশ হতাশা ঘিরে ধরেছিল কেকেআরকে। স্বাভাবিকভাবেই সব থেকে বেশি হতাশ ছিলেন শ্রেয়াস আইয়ার। কারণ তিনি দলের অধিনায়ক। তবুও তাঁর গলায় ব্যাটারদের প্রশংসা শোনা গেল।

শ্রেয়াস বলেন, ‘‘ব্যাটাররা যেভাবে ব্যাটিং করেছে তা অসাধারণ ছিল। আপনারা  তাদের কাছে যা যা চেয়েছেন তারা সেগুলো করে গিয়েছে। দুই দলই দুর্দান্ত খেলেছে। আপনাকে ড্রয়িং বোর্ডে ফিরে যেতে হবে এবং দেখতে হবে আপনি কোথায় ভুল করেছেন। এই রান ধরে রাখা কঠিন ছিল না তবে এটি সবার জন্য একটা শিক্ষা। নারিনের মতো একজনকে মাঠে নেমে রান করতে দেখা, তার থেকে অনেক কিছু শেখার রয়েছে।’’

শেষবেলা বেয়ারস্টোর সঙ্গে যাঁর দুরন্ত অংশীদারিত্ব না থাকলে এই জয় সম্ভব হতো না পঞ্জাবের তিনি শশাঙ্ক সিং। তিনি বলেন, “ডাগআউট থেকে উইকেট দেখছিলাম। বলে ভাল বাউন্স ছিল, ভেবেছিলাম আমি সুনীলকে খেলার চেষ্টা করব এবং বাকি বোলারদেরও। আমার ব্যাট করার লাইসেন্স আছে, শুধু মাঠে নেমে নিজের শট খেলে যাওয়া। জনি যেভাবে ব্যাট করেছে তা আমার জন্য ইতিবাচক ছিল। হাতে এখনও পাঁচটি ম্যাচ রয়েছে।’’

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *