লখনউয়ের কাছে হার কেকেআরের। ছবি সৌজন্যে ট্যুইটার
অলস্পোর্ট ডেস্কঃ আইপিএল থেকে বিদায় কেকেআরের।প্রথমে বল করে অল্প রানে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে আটকে রাখার নীতি নিলেন নীতীশ। লখনউ তুলল ১৭৬ রান। প্লে-অফে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখতে যে রান ৭.৫ ওভারে তুলতে হত কেকেআরকে। যা প্রায় অসম্ভব ছিল। শেষে রিঙ্কুর দুরন্ত ব্যাটিংও জয় আনতে পারল না। হার মাত্র ১ রানে।
প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ থাকলেও কেন কেকেআরের অধিনায়ক টসে জিতে বল করতে চাইলেন, তা দুর্বোধ্য। সেই মাশুলও চোকাতে হল। প্রথম দিকে অবশ্য খারাপ বল করেনি কেকেআর। লখনউয়ের দুই মারকুটের ওপেনারের সামনে নিয়ন্ত্রিত বল করছিলেন হর্ষিত রানা, বৈভব অরোরারা।
পাওয়ার প্লে-তে দাপট দেখায় লখনউ। কিন্তু পর পর প্রেরক মাঁকড় এবং মার্কাস স্টোইনিসের উইকেট চলে যাওয়ায় কিছুটা চাপে পড়ে যায় তারা। তাতেও থামেনি। এর পর ক্রুণাল পাণ্ড্য এবং কুইন্টন ডি’ককও আউট হয়ে যান তিন বলের ব্যবধানে। কিন্তু লখনউয়ের চাপ কমিয়ে দেন নিকোলাস পুরান। ধীরগতিতে শুরু করলেও তিনি পরের দিকে বেশ চালিয়ে খেলেন। ৪টি চার এবং ৫টি ছয়ের সাহায্যে ৩০ বলে ৫৮ রান করেন। তাতেই লখনউয়ের রানের গতি একলাফে অনেকটা বেড়ে যায়। কলকাতার হয়ে হর্ষিত রানা এবং সুনীল নারাইন ছাড়া কেউ কৃপণ বোলিং করতে পারেননি। আট জন বোলারকে বল করিয়েছেন নীতীশ রানাও। নিজেও এক ওভার হাত ঘুরিয়েছেন। শুধু হর্ষিতই নিজের চার ওভার পূরণ করেছেন।
কলকাতার সামনে লক্ষ্য শুধু ১৭৭ রান ছিল না, তাদের লক্ষ্য ছিল ওই রান ৭.৫ ওভারে তুলে নেওয়া। তা হলেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের রান রেট টপকে যেতে পারত কলকাতা। রবিবার রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স এবং বিরাট কোহলিরা হেরে গেলে কলকাতার সুযোগ থাকত আইপিএলের প্লে-অফে ওঠার। কিন্তু কলকাতা ৭.৫ ওভারে তোলে ৭৪ রান। প্লে-অফের রাস্তা প্রায় বন্ধ হয়ে যায় তখনই। নেট রান রেটে অনেকটাই পিছিয়ে যায় কেকেআর। একমাত্র জেসন রয় (৪৫) ও শেষদিকে রিঙ্কু ৬৭ রান করে জয়ের চেষ্টা করলেও ঘরের মাঠে হার নিয়েই আইপিএল অভিযান শেষ করল কেকেআর।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
