Cart Total Items (0)

Cart

All Sports India

মুনাল চট্টোপাধ্যায়:‌ আসামে অনুষ্ঠেয় সন্তোষ ট্রফি ফুটবল প্রতিযোগিতার জন্য ২২ জন ফুটবলার বেছে নিলেন বাংলা দলের চিফ কোচ সঞ্জয় সেন। গতবারের সন্তোষ ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন বাংলা। স্বাভাবিকভাবেই এবার খেতাব ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ বাংলার কোচ সঞ্জয় সেন ও ফুটবলারদের কাছে। বাংলার কোচের মতে, দীর্ঘসময় পর সন্তোষ ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কাজটা নিঃসন্দেহে কঠিন ঠিল, কিন্তু তার থেকেও বেশি কঠিন খেতাব ধরে রাখা। কারণ সব দলই চাইবে গতবারের চ্যাম্পিয়ন দলকে হারিয়ে টুর্নামেন্ট এগোতে, তৃপ্তি লাভ করতে। তাই গতবারের তুলনায় এবার আরও ভাল খেলতে হবে।

যাঁরা সন্তোষ ট্রফির বাংলা দলে সুযোগ পেয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ৬ জন গতবারের চ্যাম্পিয়ন দলে ছিলেন। তাঁরা হলেন রবি হাঁসদা, নরহরি শ্রেষ্ঠা, মদন মান্ডি, চাকু মান্ডি, জুয়েল আমেদ মজুমদার, বিক্রম প্রধান। বাকি ১৬ জন ফুটবলার নতুন হলেও, তাঁদের নিয়ে প্রচন্ড আশাবাদী কোচ সঞ্জয়। বললেন, এঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন ব্যক্তিগত দক্ষতা দিয়ে ম্যাচ ঘোরানোর ক্ষমতা রাখেন। এখনই ২২ জনের মধ্যে অধিনায়ক হিসেবে কারও নাম ঘোষণা করেননি বাংলার কোচ। বলেন, গতবারও খেলার জায়গায় গিয়ে ম্যাচের আগে অধিনায়ক নির্বাচন করেছিলাম। এবারও তেমনই করব।’‌ কোচ সঞ্জয় সেন মুখে না বললেও বুঝতে অসুবিধা নেই, গতবার বাংলাকে চ্যাম্পিয়ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়া এবং এবার বেঙ্গল সুপার লিগে গোল ও ফর্মে থাকা রবি হাঁসদাই অধিনায়ক হওয়ার প্রধান দাবিদার।

২২ জনের বাংলা দলে নির্বাচিত ফুটবলাররা হলেন, সোমনাথ দত্ত, গৌরব শ(‌গোলকিপার)‌, সুজিত সাধু, মদন মান্ডি, জুয়েল আমেদ মজুমদার, চাকু মান্ডি, মার্শাল কিস্কু, সুমন দে, বিক্রম প্রধান(‌ডিফেন্ডার)‌, বিকি থাপা, তন্ময় দাস, প্রশান্ত দাস, শ্যামল বেসরা, সায়ন ব্যানার্জি, বিজয় মুর্মু, আকিব নবাব, আকাশ হেব্রম(‌মিডফিল্ডার)‌, সুময় সোম, উত্তম হাঁসদা, করন রাই, রবি হাঁসদা, নরহরি শ্রেষ্ঠা।

অভিজ্ঞতা ও নবীন প্রতিভায় ভরা দল নিয়ে খেতাব ধরে রাখার ব্যাপারে আশাবাদী কোচ সঞ্জয় সেন। বলেন, ‘‌ গতবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর বাংলার ফুটবলারদের যেভাবে সংবর্ধিত করা হয়েছিল, এবার বিজয়ী দলের সদস্যদের চাকরির ব্যবস্থা করেছিল রাজ্য সরকার, সেটা ফুটবলারদের উজ্জীবিত করেছে। যারা এবার দলে নতুন তারা ট্রফি জিততে মরিয়া একারণে আরও বেশি করে। তবে লড়াইটা সহজ হবে না। একে অপরিচিত পরিবেশ ধাকুয়াখানা ও শিলাপাথার ফুটবল স্টেডিয়ামে খেলা। সেখানকার মাঠ কেমন জানা নেই। তারওপর প্রথম ম্যাচের প্রতিপক্ষ নাগাল্যান্ড সম্পর্কে ধারনা খুবই অল্প। কোয়ালিফাইং রাউন্ডে মনিপুর ও মিজোরামের বিরুদ্ধে ওদের ম্যাচের কিছু ক্লিপিং জোগাড় করে ধারনা নেওয়ার চেষ্টা করছি। নাগাল্যান্ড ম্যাচটা হয়ে গেলে, পরের ম্যাচগুলোর আগে প্রতিপক্ষের শক্তি ও দুর্বলতা জেনে যাব। নাগাল্যান্ড মূল পর্বে এসেছে মনিপুর, মিজোরামের মতো দলকে হারিয়ে। তাই ওদের সমীহ করতেই হবে। প্রথম ১৫ মিনিট ওদের মেপে নিয়ে পাল্টা আক্রমণ গেনে গোলের জন্য ঝাঁপানো ঠিক হবে।’‌

বাংলার প্রথম ম্যাচে প্রতিপক্ষ নাগাল্যান্ড(‌২১ জানুয়ারি)‌। পরের ম্যাচগুলোতে প্রতিপক্ষ উত্তরাখন্ড(‌ ২৩ জানুয়ারি)‌, রাজস্থান(‌২৫ জানুয়ারি)‌, তামিলনাড়ু(‌২৮ জানুয়ারি)‌, আসাম(‌৩১ জানুয়ারি)‌। বাংলা দলে আসামের পথে রওনা হবে ১৮ জানুয়ারি। তার আগে এখানে শেষমুহূর্তে প্রস্তুতি সারবে। ম্যাচ সিচুয়েশন প্র‌্যাকটিস ছাড়াও পেনাল্টি মারা, টাইব্রেকার অনুশীলনও সেরে রাখবেন কোচ সঞ্জয়। কারণ এখান থেকে বুঝতে পারছেন না, আসামের অনুশীলনের মাঠ কেমন থাকবে, সুযোগ সুবিধা কেমন মিলবে?‌ তবে আপাতত ফোকাস শুধুই রাখছেন নাগাল্যান্ড ম্যাচ। সেমিফাইনালে ওঠার এখন ম্যাচ ধরে ধরে এগোনোই লক্ষ্য।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *