ম্যাসন মাউন্ট
অলস্পোর্ট ডেস্ক: ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের নতুন মিডফিল্ডার ম্যাসন মাউন্ট দাবি করেছেন যে তিনি চেলসি ছেড়েছেন কারণ তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে তিনি ক্লাবের পরিকল্পনায় নেই। মাউন্ট বুধবার ইউনাইটেডের সঙ্গে ৫৫ মিলিয়ন পাউন্ডের ($৭০ মিলিয়ন) বিনিময়ে পাঁচ বছরের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। মাউন্ট বলেছিলেন যে তাঁর মনে হয়েছিল, চেলসি তাঁকে ছাড়াই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করতে ইচ্ছুক। আর এই মনে হওয়াই তাঁকে রেড ডেভিলসের সঙ্গে চুক্তি করতে বাধ্য করে।
মাউন্ট বলেন, “বেশ কয়েক মাস আগে আমি মনে করি এটা পরিষ্কার হয়ে গেছিল যে আমি চেলসির পরিকল্পনায় ছিলাম না এবং যখন আমি জানলাম যে ইউনাইটেড জড়িত ছিল, তখন আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি।”
“এটি একটি বিশাল ক্লাব, বিশাল, আইকনিক খেলোয়াড়রা এখানে খেলেছে, এবং আমি শুরু থেকেই এর একটি অংশ হতে চেয়েছিলাম। তাড়াতাড়ি শুরু করা, প্রাক-মরসুম শুরু করার জন্য প্রস্তুত হওয়া, আমারও একটি প্রধান উদ্দেশ্য ছিল,” বলছেন তিনি।
চেলসির সঙ্গে ১৮ বছর কাটিয়েছেন মাউন্ট এবং ২০২১-এ তাদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিততে সাহায্য করেছেন এবং গত মরসুমে তাদের সময়টা খুব একটা ভাল যায়নি। তবে মাউন্ট যে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে নিজের সেরাটা দিতে পারবেন তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তাঁর খেলার যোগ্যতা, গোল করার দক্ষতা এবং গোলের জন্য সাহায্য করা তাঁকে এরিক টেন হ্যাগের দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য করে তুলবে।
“আমি নিজেকে সবসময় একজন মিডফিল্ডার হিসাবে দেখেছি, একজন আট নম্বর সদস্য যে আক্রমণে উঠতে পারে এবং আক্রমণ করতে পারে, গোল করার চেষ্টা করতে পারে, গোল তৈরি করতে পারে, তবে অন্য দিকেও করতে খেলা পরিচালনা করতে পারে এবং দলের হয়ে রক্ষণও সামলাতে পারে পারে, চাপের মমুখে দলকে সাহায্য করতে পারে,” তিনি বলেন।
মাউন্ট এরিক ক্যান্টোনা গায়ে উঠতে চলেছে, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, জর্জ বেস্ট এবং ডেভিড বেকহ্যামের পরা বিখ্যাত ইউনাইটেডের সাত নম্বর জার্সি। সেই জার্সির দায়িত্ব সামলাতে তৈরি তিনি। যখন নতুন ক্লাবের সঙ্গে কথা চলছিল তখন তিনি পরিবারের সঙ্গে ডিজনিল্যান্ডে বেড়াতে গিয়েছিলেন। যদিও চুক্তি নিশ্চিত করতে সেখান থেকে দ্রুত ফিরে আসে। তিনি বলেন, ‘‘এখানে আসা, সবাইকে দেখা, প্রশিক্ষণ গ্রাউন্ডে সবার সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়া, এত উষ্ণ অভ্যর্থনা। আমি ইতিমধ্যে বাড়ির অনুভূতি পাচ্ছি।”
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার
