অলস্পোর্ট ডেস্ক: লাহৌর কালান্দার্স তাদের অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদির ওপর ১ মিলিয়ন পাকিস্তানি টাকা (প্রায় ৩,৬০০ মার্কিন ডলার) জরিমানা আরোপ করেছে। দলের হোটেলে নিরাপত্তা প্রোটোকল লঙ্ঘনের অভিযোগে পঞ্জাব পুলিশ একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে এই অভিযোগ আনার পর কালান্দার্স কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপ নিয়েছে। ইএসপিএনক্রিকইনফো-এর তথ্যমতে, এক বিবৃতিতে কালান্দার্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, দলের অভ্যন্তরে “শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার” লক্ষ্যেই এই জরিমানা আরোপ করা হয়েছে। সিকান্দার রাজার বিরুদ্ধে অবশ্য কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। একই নিরাপত্তা প্রোটোকল লঙ্ঘনের বিষয়ে পুলিশের প্রতিবেদনে তাঁর নামও উল্লেখ করা হয়েছিল। চারজন “অননুমোদিত” ব্যক্তি দলের হোটেলের ঘরে প্রবেশ করতে সক্ষম হওয়ার পর রাজা এবং শাহীনের বিরুদ্ধে গুরুতর নিরাপত্তা লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। পঞ্জাব পুলিশের পক্ষ থেকে পিএসএল-এর প্রধান নির্বাহী সলমন নাসিরের কাছে একটি চিঠি হস্তান্তর করা হয়, যেখানে অভিযোগ করা হয় যে, তাঁরা ফ্যানদের জোর করে ওই অলরাউন্ডারের কক্ষে নিয়ে গিয়েছিলেন।
পিএসএল-এর প্রধান নির্বাহী সলমন নাসিরের উদ্দেশ্যে লেখা এক চিঠিতে একজন ডেপুটি পুলিশ পরিদর্শক অভিযোগ করেন যে, লাহৌর কালান্দার্সের অধিনায়ক শাহীন আফ্রিদি এবং তাঁর সতীর্থ সিকান্দার রাজা নিরাপত্তা নির্দেশিকা উপেক্ষা করেছেন। শনিবার রাতে তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে আসা কয়েকজনকেজোর করেই একজন খেলোয়াড়ের কক্ষে নিয়ে যান এবং সেখানে তাঁরা প্রায় তিন ঘণ্টা ছিলেন।
সোমবার রাজা তাঁর এবং আফ্রিদির বিরুদ্ধে ওঠা নিরাপত্তা লঙ্ঘনের অভিযোগের বিষয়ে নীরবতা ভাঙেন। দলের হোটেলের কক্ষে চারজন “অননুমোদিত” ব্যক্তিকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার অভিযোগের জবাবে তিনি বলেন যে, ওই ব্যক্তিরা ছিলেন তাঁর দীর্ঘদিনের বন্ধু ও পরিবারের সদস্য এবং পাকিস্তানের এই বাঁ-হাতি পেসার (আফ্রিদি) কেবল তাঁকে সহায়তা করছিলেন মাত্র।
রাজা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, প্রশ্নবিদ্ধ ওই চারজন ব্যক্তি তাঁর ঘনিষ্ঠ পরিবারের সদস্য এবং বন্ধু।
রাজা বলেন, “শাহীন কাউকে জোর করেনি। আমার বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের সদস্যরা এসেছিল এবং আমার অনুরোধেই শাহীন তাদের [আমার কক্ষে আসার ক্ষেত্রে] সহায়তা করেছিল। যদি নিয়ম এমন হয়ে থাকে যে [দর্শনার্থীদের আমাদের কক্ষে প্রবেশের অনুমতি নেই], তবে সে সম্পর্কে আমি অবগত ছিলাম না; এবং কিছুটা হলেও শাহীনও এ বিষয়ে জানত না। এখানে দোষী আমিই, শাহীন নয়। আমার অনুরোধেই সে নিচে গিয়েছিল, কারণ তারা ছিল আমার ঘনিষ্ঠ পরিবারের সদস্য ও বন্ধু; আমি তাদের সঙ্গে হোটেলের ‘বিজনেস সেন্টারে’ বসে দেখা করতে চাইছিলাম না। আমরা ওপরের ঘরে ৪০ মিনিট সময় কাটিয়েছিলাম।”
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
