Cart Total Items (0)

Cart

All Sports

অলস্পোর্ট ডেস্ক: ২০০৯ থেকে ২০২৬, ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার থেকে গ্ৰ্যান্ডমাস্টার হতে সময় লেগে গেল সাত বছর। তবে দেশে ফিরেই প্রথম সংবর্ধনা পেলেন তাঁরই প্রাক্তন কোচ এবং সারা বাংলা দাবা সংস্থার প্রেসিডেন্ট দিব্যেন্দু বড়ুয়ার কাছ থেকে। শুধু তাই নয়, বাংলার প্রথম গ্ৰ্যান্ডমাস্টার দিব্যেন্দু বড়ুয়ার হাত থেকে সংবর্ধনা পেলেন বাংলার এখনও পর্যন্ত শেষ গ্ৰ্যান্ডমাস্টার আরণ্যক ঘোষ। এক কথায় বাংলার দাবায় একটা সার্কেল পূর্ণ হল। দীর্ঘদিন পর আবার গ্ৰ্যান্ডমাস্টার পেল বাংলা।  বাংলার ১২তম গ্ৰ্যান্ডমাস্টার।

দীপ্তায়ণ ঘোষকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়েই পাঁচ বছর বয়সে বাবার হাত ধরে পৌঁছে গিয়েছিলেন দিব্যেন্দু বড়ুয়া দাবা অ্যাকাডেমিতে। তার পর থেকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। তার এই সাফল্যের পিছনে তাঁর বাবা, মায়ের অবদানও অনস্বীকার্য।  এদিনের সংবর্ধনা সভায় উঠে এল সেই সব কথাই। কীভাবে স্ত্রীর গয়না বিক্রি করে আরণ্যককে দাবাড়ু করার লড়াই চালিয়ে গিয়েছিলেন তাঁর বাবা।

আরণ্যকের বাবা মৃনাল ঘোষ বলছিলেন, “লড়াইটা‌ দীর্ঘ দিনের। শুরুর দিনই দিব্যেন্দু বড়ুয়া বলেছিলেন ওকে ওর মতো বাড়তে দিন, কিছু বলবেন‌ না। আজও সেটা মনে রেখেছি। বর্তমান অভিভাবকদের বলব, কেউ হারার জন্য খেলে না। তাই তাদের উপর চাপ তৈরি করবেন‌ না। ” আরণ্যকের এগিয়ে দেওয়ার পথে তাঁর এই দর্শনটাই সব থেকে বেশি কাজ করেছে।

আরণ্যক অবশ্য নিজের এই গ্ৰ্যান্ডমাস্টার হওয়া নিয়ে মোটেও উচ্ছ্বসিত নন। মজা করেই অ্যাকাডেমির বাচ্চাদের উদ্দেশে বলছিলেন, “আমার মতো একদম না, ২২ বছরে এসে জিএম হয়েছি। এখন তো ১১ বছরে ছেলে, মেয়েরা জিএম হচ্ছে। আমার অনেক দেরি হয়ে গেল।”

একটা সময় হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। ভেবেছিলেন এটাও খেলতে যাবেন‌ না। সবাই মিলে জোর করে পাঠিয়েছিল। গত তাতেই বাজিমাত। দিব্যেন্দু বড়ুয়া বলছিলেন, “এরকম পরিস্থিতিতে নিজের আত্মবিশ্বাসটা কমে যায়, তাঁর প্রভাব পড়ে খেলায়। ওর ক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছিল। তার মধ্যে কোভিডের জন্য অনেকটাই পিছিয়ে যেতে হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ও গ্ৰ্যান্ডমাস্টার হয়েছে, সেটা যেমন ওর জন্য ভালো তেমন বাংলার দাবার জন্যও ভালো। আমরা ১২তম গ্ৰ্যান্ডমাস্টার পেলাম।”

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *