শুবমান গিল
অলস্পোর্ট ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেট দল রবিবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে দ্বিতীয় ওডিআইতে হেরে গেলেও রেকর্ড করলেন শুবমান গিল । ব্যাটিং বিপর্যয়ের ফলে ১৮১ রানেই শেষ হয়ে যায় ভারত। বিশেষ করে শুভমান গিল এবং ঈশান কিষানের ওপেনিং স্ট্যান্ডের পর এমন ব্যাটিং বিপর্যয় অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না। তার মধ্যেই পর পর দুই ম্যাচে ওপেন করতে নেমে হাফ সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে যেমন রেকর্ড গড়েছিলেন ঈশান তেমনই রেকর্ড লেখা হল শুবমানের নামের পাশেও। ওপেন করতে নেমে ৩৪ রানের ইনিংস খেলেছিলেন শুবমান। আর তাতেই তিনি ছাঁপিয়ে গেলেন পাকিস্তান সুপারস্টার বাবর আজমের দীর্ঘদিনের রেকর্ডকে।।
গিল, তার দ্বিতীয় ওডিআই পারফর্ম্যান্সের সৌজন্যে, ৫০ ওভারের ফর্ম্যাটে ২৬ ইনিংসের পর সবচেয়ে বেশি রান নিয়ে ব্যাটসম্যানদের তালিকায় বাবরকে ছাড়িয়ে গিয়েছেন। প্রথম ২৬ ওয়ানডে ইনিংসে বাবরের নামে ১৩২২ রান ছিল। অন্যদিকে গিলের রান ১৩৫২। শীর্ষ পাঁচে এই জুটির সঙ্গে রয়েছেন ইংল্যান্ডের জোনাথন ট্রট (১৩০৩ রান), পাকিস্তানের ফখর জামান (১২৭৫ রান) এবং দক্ষিণ আফ্রিকার রসি ভ্যান ডার ডুসেন (১২৬৭ রান)।
ভারত ব্যাট হাতে যে হতাশ করেছে তা নিয়ে কোনও সংশয় নেই। টিম ম্যানেজমেন্টের পরীক্ষা-নিরিক্ষা এই ম্যাচে রীতিমতো ফ্লপ শো হয়ে গিয়েছে। শনিবার ৯০/০ থেকে ১৮১ অলআউট হয়ে যাওয়ার পর নতুন করে ভাবতে হবে ভারতীয় ক্রিকেট দলের ব্যাটিং নিয়ে।
শনিবার বার্বাডোজের কিংসটন ওভালে তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে-তে ভারতের বিপক্ষে ছয় উইকেটে জয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক শাই হোপ মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি একাই লড়েন শেষ পর্যন্ত।
তাঁর বোলাররা সহায়ক পিচকে কাজে লাগিয়ে ৪০.৫ ওভারে ১৮১ রানে তাদের প্রতিপক্ষকে আউট করার ব্যাটাররাও সেই মঞ্চেই নিজেদের সেরাটা দিয়ে দলকে জয় এনে দেন। যার মূল কারিগর অধিনায়ক। হোপের অপরাজিত ৬৩ এবং কেসি কার্টি অপরাজিত ৪৮ পঞ্চম উইকেটে ৯১ রানের অপরাজিত জুটিতে টানা হারের পর জয়ের মুখ দেখল ক্যারিবিয়ানরা। চার বছর ধরে ওয়ানডে-তে ভারতের বিরুদ্ধে জয় পায়নি তারা।
বৃহস্পতিবার একই ভেন্যুতে উদ্বোধনী ম্যাচে ক্যারিবিয়ান দলের হতাশাজনক পাঁচ উইকেটের পরাজয়ের পরিপ্রেক্ষিতে এটি একটি দ্রুত প্রত্যাবর্তন এবং মঙ্গলবার ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে সিরিজের নির্ধারক ম্যাচ এখন কার্যত ফাইনাল।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার
