৩৭ বছর একটানা ভারতের সেরা গ্র্যান্ড মাস্টার ছিলেন বিশ্বনাথন আনন্দ। এবার তাঁকে পিছনে ফেলে সেরা ভারতীয় দাবাড়ুর তালিকার শীর্ষস্থানে উঠে এলেন ১৭ বছর বয়সী ডি গুকেশ
বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ মহিলা জিএম কোনেরু হাম্পি বলেন যে বিশ্বকাপে তরুণ ভারতীয়দের সাম্প্রতিক সাফল্য বিশ্বনাথন আনন্দের উত্তরাধিকারকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
টাটা স্টিল দাবা টুর্নামেন্ট-এর ভারতীয় সংস্করণ পঞ্চম বছরে পা দিল। মেয়েদের অংশটি এই নিয়ে দ্বিতীয় বছর। বুধবার এই টুর্নামেন্টের বিস্তারিত ঘোষণা করা হল।
বিশ্বনাথন আনন্দের পর দ্বিতীয় ভারতীয় দাবাড়ু হিসাবে দাবা বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেও খেতাব জেতা হয়নি আর প্রজ্ঞানন্ধা -র। যদিও কনিষ্ঠতম দাবাড়ু হিসাবে দাবা বিশ্বকাপের ফাইনালে রানার্স আপ হয়ে রৌপ্য পদক জিতেছেন তিনি। ২০২৩ ফাইড প্রার্থীদের টুর্নামেন্টে যাচ্ছেন তিনি। শুধু তাই...
ঘরে ঘরে এখন একটাই নাম প্রজ্ঞানন্ধা । তাঁকে দেখে এখন অনুাপ্রাণিত হচ্ছে আগামী প্রজন্ম। ফিডে দাবা বিশ্বকাপে বিশ্বের দুই ও তিন নম্বরকে ফাইনালে ওঠেন প্রজ্ঞানন্ধা ।
ভারতের দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসাবে দাবা বিশ্বকাপ জেতা হল না প্রজ্ঞানন্দ-এর। ফাইনালে ম্যাগনাস কার্লসেনের কাছে হেরে গেলেও তাঁর সাফল্যে মুগ্ধ দেশ। ১৮ বছরের এই ছেলেটাকে হারাতে ভালই ঘাম ঝড়াতে হয়েছে কার্লসেনকে।
দাবা বিশ্বকাপ ফাইনালে টাই-ব্রেকারে বিশ্বের এক নম্বর ম্যাগনাস কার্লসেনের বিপক্ষে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর হারের মুখ দেখতে হল আর প্রজ্ঞানান্ধাকে।
সোমবার দাবা বিশ্বকাপ-এ আজারবাইজানের বাকুতে বিশ্বে তিন নম্বর ফ্যাবিয়ানো কারুয়ানাকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেলেন ইন্ডিয়ান গ্র্যান্ডমাস্টার আর প্রজ্ঞানন্ধা। ফাইনালে তিনি মুখোমুখি হতে চলেছেন ম্যাগনাস কার্লসেনের।
বিশ্বকাপ দাবা টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে ভারতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার আর প্রজ্ঞানান্ধা বিশ্বের তিন নম্বর ফ্যাবিয়ানো কারুয়ানাকে টাইব্রেকারে হারিয়ে ইতিহাস রচনা করলেন।
লড়াইটা সহজ ছিল না সূর্যশেখর গঙ্গোপাধ্যায়ের। তাঁর জীবনের স্ট্রাগল এবং সেখান থেকে উঠে এসে এই বিপুল পরিমাণ সাফল্য পরবর্তী প্রজন্মের কাছে শিক্ষনীয় তো বটেই।
