এক ম্যাচ বাকি থাকতেই আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল কলকাতার দল মহমেডান এসসির। আর তার সঙ্গে খুলে গিয়েছিল আইএসএল-এ খেলা।
বাংলার ফুটবলে এ যেন এক আশার আলো। ভবিষ্যত তো সময়ই বলবে তবে স্বপ্ন দেখার উদ্যোগটা নিয়েই ফেলল ভবানীপুর এফসি । সঙ্গে লা লিগে অ্যাকাডেমি।
বেঙ্গালুরু এফসি-র মতো দলের বিরুদ্ধে দাপুটে জয়ের পর লিগ শিল্ড নিয়ে ক্রমশ আশাবাদী হয়ে উঠছে মোহনবাগান শিবির।
লিগ শিল্ডের লক্ষ্যে মোহনবাগানের শেষ দুই ম্যাচ যে ‘মাস্ট উইন’ তা জেনেই খেলতে নেমেছিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড।
আইএসএল ২০২৩-২৪-এর প্লে অফ শুরু হবে ১৯ এপ্রিল থেকে। বৃহস্পতিবার আয়োজক ফুটবল স্পোর্টস ডেভলপমেন্ট লিমিটেডের পক্ষ থেকে এই সূচী প্রকাশ করা হয়েছে।
লিগ শিল্ডের লড়াই জিততে গেলে শেষ দুই ম্যাচে জিততেই হবে সবুজ-মেরুন বাহিনীকে। যার প্রথমটি তারা খেলতে নামছে বৃহস্পতিবার, বেঙ্গালুরুর শ্রী কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে, সুনীল ছেত্রীদের বিরুদ্ধে।
ঘরের মাঠে গত ছ’টি ম্যাচে হারেননি হাভিয়ে হার্নান্ডেজরা। তাই ম্যাচটা যে কঠিন হবে, বেঙ্গালুরুকে হারানো যে মোটেই সোজা হবে না, তা স্বীকার করে নিতে দ্বিধা নেই দলের সহকারী কোচ মানুয়েল পেরেজের।
এই মরশুমেও প্লে-অফে খেলা হল না ইস্টবেঙ্গল এফসি-র। সেরা ছয়ের কাছে গিয়েও ফিরে আসতে হল তাদের।
ইন্ডিয়ান সুপার লিগে যা কখনও করতে পারেনি তারা, এ বার সেটাই করতে পেরেছে ইস্টবেঙ্গল এফসি। কাজটা যদিও বিশাল কিছু নয়, পরপর দুই ম্যাচে জয়।
বুধবার নয়াদিল্লিতে সে রকমই একটি কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে চলেছেন ক্লেটন সিলভারা। কিন্তু এই ম্যাচে গ্যালারিতে একটিও মানুষ থাকবে না। যা ভাবাচ্ছে ইস্টবেঙ্গলের কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাতকে।
