Cart Total Items (0)

Cart

All Sports India
অসাধারণ একটা মুহূর্ত লেখা হল হায়দরাবাদের জিএমসি বালাযোগী স্টেডিয়ামে। ছ’মিনিটের অতিরিক্ত সময় শেষের বাঁশি বাজতেই উচ্ছ্বাসের বাঁধ ভাঙল। শেষ পর্যন্ত শুরুর সাফল্য ও লড়াইকে ধরে রেখেই শেষ হাসি হাসল বাংলা ফুটবল দল। ছয় মিনিটের অতিরিক্ত সময় দিয়েছিলেন রেফারি।
লক্ষ্য ছিল সন্তোষ ট্রফি ফাইনালে খেলতে যাওয়া বাংলা ফুটবল দলকে শুভেচ্ছা জানানো। কিন্তু সামনে যখন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস তখন ডার্বি প্রসঙ্গ যে উঠে আসবে তার নিয়ে কোনও সন্দেহ ছিল না।
দেড় মাস, এবং ৮৭ ম্যাচ পরে, আগামী ৯০ বা সম্ভবত ১২০ মিনিট বা তার কিছু বেশি সময় পর হায়দরাবাদের জিএমসি বালাযোগী অ্যাথলেটিক স্টেডিয়ামে নেমে শেষ হতে চলেছে একটা দীর্ঘ লড়াইয়ের।
আরও একবার স্বপ্নের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলা ফুটবল দল। মাঝে মাত্র একটা ম্যাচ। আর সেটা জিতে নিতে পারলেই আট বছর পর আবার সন্তোষ ট্রফি ঘরে তুলবে বাংলা। অতীতেও এমন একটা সময় এসেছিল কিন্তু সব বাধা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলার ফুটবল।...
হায়দরাবাদ এফসি শেষ মুহূর্তের গোলে তাদের তিন পয়েন্ট ছিনিয়ে নেওয়ায় হতাশ ইস্টবেঙ্গল এফসি-র হেড কোচ অস্কার ব্রুজোন। তবে এই ফলের মধ্যেও ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছেন তিনি।
হায়দরাবাদের গাচিবৌলি স্টেডিয়ামের লাল-নীল ফাঁকা গ্যালারির এক কোণা থেকে মাঝে মাঝেই হুঙ্কার উঠল “এইচএফসি, এইচএফসি”। অতীতে ভারতীয় ফুটবলে হায়দরাবাদের একটা অবদান ছিল। তার পর তা কমতে কমতে শূন্য হয়ে যায় প্রায়।
দেওয়ালে পিঠ ঠেকেই রয়েছে দলটার। প্রতিভা নেই এমনটাও নয়। কোচ চেরনিশভও চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখেননি। অভিষেক মরসুমের শুরু থেকেই কঠিন প্রতপক্ষদের রীতিমতো বেগ দিয়েছে কলকাতার তৃতীয় প্রধান। কিন্তু সব কিছু করেও আশানুরূপ ফল পায়নি মহমেডান এসসি।
আইএসএল-এর ইতিহাসে হোসে মোলিনা কখনও পর পর দুই ম্যাচে হারের মুখ দেখেননি। সেই ইতিহাসে আস্থা রেখেই বৃহস্পতিবার পঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট।
এটাই আসলে ফুটবল। একটা, দুটো ম্যাচেই বদলে যেতে পারে ভাগ্য বা যাঁদের নিয়ে ভাবাই হয়নি তাঁরাই হয়ে উঠতে পারেন ভরসা। চলতি আইএসএল মরসুমে এই দু'য়েরই উদাহরণ ইস্টবেঙ্গল এফসি।
বৃহস্পতিবার হায়দরাবাদে কোয়ার্টার ফাইনালে ওড়িশার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। সেখানে তাঁরা ৩-১ গোলে হারিয়ে দিল ওড়িশাকে। এই জয়ের সঙ্গেই সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল দল।