Cart Total Items (0)

Cart

All Sports

মনে হচ্ছিল দিল্লি টেস্ট পাঁচ দিনে যেতে পারে। কারণ প্রথম ইনিংস দুই দল শেষ করেছিল সমানে সমানে। যেখানে অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে থেমেছিল ২৬৩ রানে সেখানে ভারত থামে ২৬২ রানে। মনে হয়েছিল দ্বিতীয় ইনিংসের লড়াইটা হাড্ডাহাড্ডি হবে। কিন্তু প্রথম টেস্টের অ্যাকশন রিপ্লে দেখা গেল দ্বিতীয় টেস্টেও। নাগপুরের পর দিল্লি— পাঁচ দিনের ম্যাচ হাসতে হাসতে শেষ হয়ে গেল তিন দিনেই।  যার পর প্রশ্ন উঠছেই, তাহলে আর টেস্ট ম্যাচের গুরুত্ব কোথায় থাকছে?

এবার ফিরে আসা যাক ম্যাচে। প্রথম ইনিংসে ভারত ২৬২ অল-আউট হওয়ার পর দেখা গিয়েছিল, দলের টপ অর্ডার পুরো ফ্লপ। আট নম্বর ব্যাটসম্যানের ব্যাট থেকে এল একমাত্র হাফ সেঞ্চুরি। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে আবার ভড়াডুবি হল অস্ট্রেলিয়ার। মাত্র ১১৩ রানে গুটিয়ে গেল অজিদের ইনিংস। তার মধ্যে ডবল ফিগার দেখা গেল মাত্র দু’জনের নামের পাশে। ওপেনার ত্রাভিস হেড ৪৩ ও মার্নাস লাবুশাগনে ৩৫। বাক রান দেখলে ফোন নম্বর বলে ভুল হতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসের রান ছিল এরকম— ৬, ৯, ২, ০, ৭, ০, ৮, ৩। ভারতীয় বোলাররা আবার জ্বলে ওঠেন। একটিও এক্সট্রা দেয়নি ৩১ ওভার বল করে। অন্যদিকে, আবার খেল দেখালেন রবীন্দ্র জাডেজা। প্রথম টেস্টে ব্যাটে-বলে জ্বলে উঠেছিলেন। এবার অবশ্য ব্যাট কথা না বললেও বল হাতে নাস্তানাবুদ করে দিলেন অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানদের। একাই তুলে নিলেন ৭ উইকেট। ১২.১ ওভার বল করে দিলেন মাত্র ৪২ রান। অন্য তিটি উইকেট নিলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

ভারতের সামনে ছিল মাত্র ১১৬ রানের লক্ষ্যমাত্রা। যা মাত্র ২৬.৪ চার ওভারে তৃতীয় দিনের খেলা শেষের সময়ের অনেক আগেই তুলে নেয় ভারতের ব্যাটাররা। রোহিত শর্মা ৩১, লোকেশ রাহুল ১ রান করে আউট হওয়ার পর চেতেশ্বর পূজারার ব্যাট থেকে আসে অপরাজিত ৩১ রান। ২০ রানের ইনিংস খেলেন বিরাট কোহলি। ১২ রান করেন শ্রেয়াস আয়ার। ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন শ্রীকর ভারত। ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হয় ১১৮-৪-এ। ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দু‘টি উইকেট নেন নাথান লিয়ঁ। প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন নাথান। এক উইকেট নেন টড মার্ফি। ম্যাচের সেরা হয়েছেন রবীন্দ্র জাডেজা। এই জয়ের সঙ্গে চার ম্যাচের সিরিজে ২-০ এগিয়ে গেল ভারত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *