Cart Total Items (0)

Cart

All Sports

অলস্পোর্ট ডেস্ক: ক্রিকেটপ্রেমী শুধু নয়, বিশ্বের সমস্ত মানুষের জন্য একটা দারুন খুশির খবর। অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার‌ ড্যামিয়েন মার্টিন মেনেনজাইটিসে আক্রান্ত হয়ে গতবছরের শেষদিকে হাসপাতালে ভরতি হয়েছিল। এতটাই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন, তিনি কোমায় চলে যান। বলতে গেলে একপ্রকার মৃত্যুর মুখে চলে গিয়েছিলেন। অস্ট্রেলিয়ান সতীর্থ ক্রিকেটাররা তো বটেই সারা বিশ্বের মানুষ তাঁর সুস্থতা কামনা করছিলেন মনপ্রাণ দিয়ে। তার ফল মিলল। বলতে গেলে একপ্রকার অঘঠন ঘটল। মৃত্যুকে হার মানিয়ে চিকিৎসায় সাড়া দিয়ে কোমা থেকে বেরিয়ে এসেছেন ড্যামিয়েন। এর থেকে ভাল খবর নতুন বছরে আর কী হবে পারে।

ড্যামিয়েনের স্ত্রী আমাদা আগেই বলেছিলেন, মেনানজাইটিসে আক্রান্ত ক্রিকেটার চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন কোমায় থাকলেও। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠার লক্ষণ নজরে আসছে। রবিবার কোমা থেকে বেরিয়ে এসে পরিবারের সকলের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন ড্যামিয়েন মার্টিন। আমাদার মতে, সকলের ভালবাসা ড্যামিয়েনকে কোমা থেকে বের করে এনেছে। ডাক্তাররা ইতিমধ্যেই ড্যামিয়েনকে গোল্ড কোস্ট ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের ইন্টেনসিভ কেয়ার ইউনিট থেকে বের করে আনার ভাবনা চিন্তা শুরু করেছেন।

ড্যামিয়েনে কোমা থেকে বেরিয়ে আসার খবর উচ্ছ্বসিত সতীর্থ অ্যাডাম গিলখ্রিস্টের প্রতিক্রিয়া, ‘‌ গত ৪৮ ঘন্টায় ড্যামিয়েন যেভাবে চিকিৎসায় সাড়া দিয়ে কোমা থেকে বেরিয়ে এসেছে, সেটা একপ্রকার চমৎকার ছাড়া কিছু বলা যাবে না। ড্যামিয়েন কথা বলছে, সুস্থ হচ্ছে। সকলের মিলিত প্রার্থনা ও ডাক্তারদের অক্লান্ত চেষ্টায় এটা সম্ভব হয়েছে। আরও কিছুটা সময় লাগবে পুরোপুরি বিপদ কাটিয়ে ফেলতে। ওকে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে দেখতে চাই।’‌

৫৪ বছর বয়সী মার্টিন অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের হয়ে ১৯৯২ থেকে ২০০৬য়ের মাঝে ৬৭ টেস্ট ও ২০৮টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। স্টিভ ওয়ার শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া দলের অন্যতম স্তম্ভ ছিলেন তিনি। ১৩টি শতরান রয়েছে তাঁর। ২০০৩য়ে একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। ভারতের বিরুদ্ধে ফাইনালে রিকি পন্টিংয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে জয় এনে দেন নিজে ৮৮ রানে অপরাজিত থেকে।

খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com

অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *