অলস্পোট ডেস্ক: আইপিএল ২০২৪-এ ঘরের মাঠে ব্যাট হাতে বিরাট কোহলির প্রত্যাবর্তনেই বড় রানে পৌঁছতে পেরেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। না হলে আর কেউই শুক্রবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে বড় রানে পৌঁছতে পারেননি। বিরাটের ৮৩-র পর বেঙ্গালুরুর সর্বোচ্চ ৩৩, যা এসেছিল ক্যামেরন গ্রিনের ব্যাট থেকে। তবে বেঙ্গালুরুর দেওয়া ১৮৩ রানের লক্ষ্যমাত্রা সহজেই ছুঁয়ে ফেললে কলকাতা। শুরু করে দিয়েছিলেন সল্ট ও নারিন। শেষ করলেন ভেঙ্কটেশ ও শ্রেয়াস। দ্বিতীয় ম্যাচ সাত উইকেটে জিতে লিগ টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল কেকেআর।
এদিন চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে হোম টিমকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন নাইট অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভিত গড়ে দিয়েছিলেন একাই বিরাট কোহলি। অধিনায়ক ফাফ দু প্লেসিকে নিয়ে ওপেন করতে নেমেছিলেন দলের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। যদিও ভরসা দিতে পারেননি ফাফ। মাত্র ৮ রান করে আউট হয়ে যান তিনি। এর পর বিরাটের সঙ্গে বেঙ্গালুরু ব্যাটিংয়ের হাল ধরেনন গ্রিন। ১৭ রানে এক উইকেট থেকে দুজনে দলের রানকে নিয়ে যান ৮২-তে।
৩৩ রান করে গ্রিন ফিরে গেলেও লড়াই চালিয়ে যান বিরাট। এর পর কিছুটা সাহায্য করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ২৮ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। কিন্তু তাঁরর পর আর কেউই তেমমন ভরসা দিতে পারেননি। রজত পাতিদার ৩, অনুজ রাওয়াাত ৩ ও দিনেশ কার্তক ২০ রান করে ফিরে যান প্যাবেলিয়নে। শেষ পর্যন্ত ক্রিজে টিকে থাকেন কোহলি। ৫৯ বলে চারটি বাউন্ডারি ও চারটি ওভার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৮৩ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ২০ ওভারে বেঙ্গালুরু থামে ১৮২-৬-এ।
কলকাতার হয়ে এদিন দুটো করে উইকেট নেন হর্ষিত রানা ও আন্দ্রে রাসেল। এক উইকেট আসে সুনীল নারিনের ঝুলিতে। যে সুনীল ব্যাট করতে নেমেও নিজেকে নুন করে প্রমান করেন। প্রথতম ম্যাচে ব্যাট হাতে সেরাটা দিতে না পারলেও এদিন ফিল সল্টের সঙ্গে ওপেন করতে নেমে ওপেনিং জুটিতে দলের রানকে ৮৬-তে নিয়ে গেলেন তিনি। যখন আউট হলেন তখন তাঁর নামের পাশে ২২ বলে ৪৭ রান, সঙ্গে দুটি বাউন্ডারি ও পাঁচটি ওভার বাউন্ডারি।
২০ বলে ৩০ রান করে ফিরলেন ফিল সল্ট। এর পর নাইট ব্যাটিংয়ের হাল ধরলেন অধিনায়ক শ্রেয়াস ও ভেঙ্কটেশ আইয়ার। ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে রান আসেনি অধিনায়কের। এদিন বিরাটদের বিরুদ্ধে ছিল তার প্রমাণ করার পালা। শ্রেয়াসের প্রমিন করার মঞ্চে অবশ্য বাজিমাত করে গেলেন ভেঙ্কটেশ আইয়ার। ২৯ বলে হাফসেঞ্চুরি হাঁকালেন। যশ দয়ালের বলে তিনি ফিরলেন ৩০ বলে ৫০ রান করে।
ভেঙ্কটেশ ফিরতেই মাঠে আসেন রিঙ্কু সিং। গত বছরের পর আবার সাক্ষাৎ হয় যশ দয়ালের সঙ্গে। তবে না পাঁচ ছক্কা হয়নি। তাতে কী, ছক্কা হাঁকিয়ে কলকাতাকে সাত উইকেটে জয় এনে দেন অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার। ২৪ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থাকলেন তিনি। ৫ দিনে অপরাজিত রিঙ্কু সিং। ১৬.৫ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে ১৪৩-এর লক্ষ্যে ১৪৬ রান তুলে নেয় কলকাতা। বেঙ্গালুরুর হয়ে একটি করে উইকেট নেন যশ দয়াল, মায়াঙ্ক দাগার ও বিজয় কুমার।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার
