Cart Total Items (0)

Cart

All Sports

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ আইপিএলে জমজমাট ম্যাচে রাজস্থানকে ৫ রানে হারাল পঞ্জাব। প্রথমে ব্যাট করে অধিনায়ক শিখর ধাওয়ানের ব্যাটিংয়ের দৌলতে ৪ উইকেটে ১৯৭ রান করে তারা। জবাবে ৭ উইকেটে ১৯২ রান তুলতে পারে সঞ্জু স্যামসনরা।      

 প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ১৯৭ রান করল পঞ্জাব। অর্ধশতরান করলেন পঞ্জাবের দুই ওপেনার প্রভসিমরন সিংহ ও শিখর ধাওয়ান। তবে বড় রানের মধ্যেও চোটের কাঁটা পঞ্জাব শিবিরে। ব্যাট করার সময় চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন ভানুকা রাজাপক্ষ। প্রথম ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে ভাল শুরু করেও আউট হয়ে গিয়েছিলেন প্রভসিমরন। কিন্তু এই ম্যাচে উইকেট দিয়ে এলেন না তিনি। ট্রেন্ট বোল্ট, জেসন হোল্ডার, রবিচন্দ্রন অশ্বিনের মতো বোলারদের বিরুদ্ধে অবলীলায় বড় শট খেললেন তিনি। ওপেনিং জুটিতে উঠল ৯০ রান। ৩৪ বলে ৬০ রান হোল্ডারের বলে আউট হলেন প্রভসিমরন। ৭টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন তিনি। তিন নম্বরে নামা রাজাপক্ষ অবশ্য রান পাননি। ধাওয়ানের শট সরাসরি তাঁর হাতে গিয়ে লাগে। বেশ কিছু ক্ষণ পরে মাঠ ছাড়েন তিনি। তার পরে ধাওয়ানের সঙ্গে জুটে বাঁধেন জীতেশ শর্মা। দু’জনেই দ্রুত রান করছিলেন। প্রভসিমরমের পরে অর্ধশতরান করেন পঞ্জাব অধিনায়ক ধাওয়ানও। শেষ দিকে কিছুটা ম্যাচে ফেরে রাজস্থান। পঞ্জাবের মিডল অর্ডারে কয়েকটি উইকেট তাড়াতাড়ি পড়ে যাওয়ায় রানের গতি কিছুটা কমে। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯৭ রান করে পঞ্জাব। ধাওয়ান ৮৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।

ব্যাট করতে নেমে মাত্র ২৬ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পরে যায় রাজস্থান। রবিচন্দ্রন অশ্বিন ওপেন করতে নেমে কোনও রান না করেই ফিরে যান। রাজস্থানের ভরসা জস বাটলার ১৯ রানের বেশি এগোতে পারেননি। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন অবশ্য ম্যাচের হাল ধরেন। তাঁকে ফেরান পঞ্জাব বোলার নাথান এলিস। এরপর পাড্ডিকাল ও গুয়াহাটির ঘরের ছেলে রিয়ান পরাগ দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন। কিন্তু নাথান এলিসের দুরন্ত বোলিং তাদের দুজনকেই সাজঘরে ফেরায়। শেষদিকে সিমরন হেটমেয়ার ও ধ্রুব জোয়েলের জুটি অবশ্য জয়ের আশা জাগিয়েছিল। কিন্তু শেষ ওভারে রান আউট হয়ে যান হেটমেয়ার (৩৬)। ধ্রুব জোয়েল ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ১৯২ রান তুলতে সক্ষম হয় রাজস্থান। পরপর দুই ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবিলে ভাল জায়গায় পঞ্জাব। ম্যাচে ৪ উইকেট নেন নাথান এলিস।          

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *