অলস্পোর্ট ডেস্ক: উপেক্ষিত ভারতীয় ক্রিকেট দলের তারকা সরফরাজ খান বিজয় হাজারে ট্রফির ইতিহাসে দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের জন্য ভারতীয় দলে সুযোগ না পাওয়া সরফরাজ মাত্র ১৫ বলে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন। মুম্বইয়ের এই ব্যাটসম্যান বরোদার অতীত শেঠের গড়া রেকর্ডটি ভেঙে দিয়েছেন, যিনি ২০২০-২১ মরসুমে ছত্তিশগড়ের বিপক্ষে ১৬ বলে হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন। এই ইনিংসে সরফরাজ বিধ্বংসী ফর্মে ছিলেন এবং তিনি প্রথম বল থেকেই বোলারদের ওপর চড়াও হন, এমনকি অভিষেক শর্মার এক ওভারে ৩০ রানও তোলেন। পঞ্জাবের বিপক্ষে মুম্বইয়ের এই ব্যাটসম্যানের ইনিংসটি শেষ পর্যন্ত সাতটি চার ও পাঁচটি ছক্কার সাহায্যে ২০ বলে ৬২ রানে শেষ হয়।
ভাই মুশির খানের আউটের পর সরফরাজ ক্রিজে আসেন, তখন ৮.২ ওভারে মুম্বইয়ের স্কোর ছিল ৫৭/১। ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান ক্রিজে নেমেই সময় নষ্ট না করে অভিষেক শর্মাকে আক্রমণ করতে শুরু করেন এবং ক্রিজে নিজের প্রথম ওভারেই ৩০ রান তোলেন। তিনি মাত্র ১৫ বলে নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করে পাঁচ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে দেন।
শেষ পর্যন্ত তিনি ২০ বলে ৬২ রানের একটি ঝড়ো ইনিংস খেলে আউট হন, যেখানে তিনি সাতটি চার ও পাঁচটি ছক্কা হাঁকান। সরফরাজ ছাড়াও মুম্বইয়ের অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ৩৪ বলে ৪৫ রানের একটি দ্রুতগতির ইনিংস খেলেন, যাতে চারটি চার ও দু’টি ছক্কা ছিল।
চলতি বিজয় হাজারে ট্রফিতে সরফরাজ দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। তিনি পাঁচটি ইনিংসে ৭৫.৭৫ গড়ে এবং ১৯০.৫৬-এর চিত্তাকর্ষক স্ট্রাইক রেটে ৩০৩ রান করেছেন, যার মধ্যে একটি শতক ও দু’টি অর্ধশতক রয়েছে।
সম্প্রতি তিনি গোয়ার বিপক্ষে ৫৬ বলে একটি সেঞ্চুরি করেন, যা নয়টি চার ও ১৪টি ছক্কায় সাজানো ছিল। এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান ৭৫ বলে ১৫৭ রানের একটি শ্বাসরুদ্ধকর ইনিংস খেলে মুম্বইকে তাদের নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৪৪৪/৮ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়তে সাহায্য করেন।
সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে তিনি সাত ম্যাচে একটি সেঞ্চুরি-সহ ২০৩.০৮-এর অবিশ্বাস্য স্ট্রাইক রেটে ৩২৯ রান করেন। এর আগে, পঞ্জাবকে ৪৫.১ ওভারে ২১৬ রানে অলআউট করে দেয় মুম্বই, যেখানে রমনদীপ সিং (৭৪ বলে ৭২) এবং অনমোলপ্রীত সিং (৭৫ বলে ৫৭) সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন। মুম্বইয়ের পক্ষে মুশির খান সেরা বোলার ছিলেন, তিনি ৯.১ ওভারে ৩৭ রান দিয়ে তিনটি উইকেট নেন।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
