অলস্পোর্ট ডেস্ক: গত শনিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মেসির আগমন ঘিরে উচ্ছ্বাস মুহূর্তে তান্ডবে পরিণত হয়ে গিয়েছিল। মেসির স্টেডিয়ামে ঢোকা থেকে শুরু করে তাঁর বেরিয়ে যাওয়া পর্যন্ত ঠিক সময়টা ছিল ২২ মিনিট। এই পুরো সময়টাই তাঁকে ঘিরে ছিল একদল মানুষ। তার মধ্যে কিছু ছিল মেসি, সুয়ারেজদের নিরাপক্তারক্ষী যারা বাকি তিনটি ভেন্যুতেও ছিল। আর বাকিদের মধ্যে পরিচিত মুখ যারা ছিলেন তাঁরা হলেন আয়োজক শতদ্রু দত্ত এবং পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তাহলে সব মিলে থাকার কথা ছিল খুব বেশি হলে ১০ জন। তাহলে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যে ২০০ মানুষ মেসিদের ঘিরে রাখলেন তাঁরা কারা? এই প্রশ্নটা উঠতে শুরু করেছিল সেদিন থেকেই। সব থেকে বেশি যাঁকে ঘিরে প্রশ্ন উঠছিল, তিনি হলেন অরূপ বিশ্বাস। শেষ পর্যন্ত এই ঘটনার জন্য পদত্যাগ করলেন তিনি।
মঙ্গলবার হাতে লেখা একটি চিঠিতে অরূপ বিশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগ করতে চেয়ে অনুরোধ জানান। জানা গিয়েছে, তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর চিঠিতে অরূপ বিশ্বাস লিখেছেন, যুবভারতীতে মেসির আগমনের দিন যেঘটনা ঘটেছে তাঁর সুষ্ঠ তদন্তের জন্যই তিনি পদত্যাগ করতে চান।
এদিকে, বিচারপতি (অবসরপ্রাপ্ত অসীম কুমার রায়ের নেতৃত্বাধীন একটি তদন্ত প্যানেলের প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর সরকার ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে।
পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং অব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা ত্রুটির কারণ ব্যাখ্যা করার জন্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে বিধাননগর পুলিশের প্রধান এবং ক্রীড়া বিভাগের প্রধান সচিব মনোজ পন্থকেও শোকজ নোটিশ জারি করা হয়েছে। শোকজ করা হয়েছে বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারকেও। বিধাননগরের ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ অনীশ সরকারকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
