কার্লস কুয়াদ্রাত
অলস্পোর্ট ডেস্ক: বেশিদিন আগের কথা নয়। ১২ অগস্ট ডুরান্ড কাপ ২০২৩-এর গ্রুপ পর্বের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। যে ম্যাচে দীর্ঘদিন পর ডার্বি জয়ের স্বাদ পেয়েছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। সেই জয় অপ্রত্যাশিত ছিল তো বটেই। তবে কার্লেস কুয়াদ্রাতের স্ট্র্যাটেজি সেদিন আর এক স্পেনীয় কোচকে মাত দিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু ১২ অগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর, অনেকটা সময়। দুই দলই খেলে ফেলেছে একাধিক ম্যাচ। একটু একটু করে নিজেদের প্রস্তুত করেছে কলকাতার দুই দল। আর ইস্টবেঙ্গল কোচের বিশ্বাস ১৯ দিন পর যে মোহনবাগানের মুখোমুখি তারা হতে চলেছে সেটা বদলে গিয়েছে।
কার্লেস বলেন, ‘‘আমাদের হারানোর কিছুই নেই তাই আমরা খোলা মনে খেলব।’’ তবে তিনি এও মেনে নিয়েছেন, পর পর জিতে তাঁর দলের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ আর্মির বিরুদ্ধে্ এগিয়ে গিয়েও ড্র করেছিলাম। তার পর ডার্বি জয়। তার পর থেকে সব ম্যাচ জিতেই ফাইনালে পৌঁছেছি। স্বাভাবিকভাবেই দলের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।’’
তবে আত্মবিশ্বাস যেখানেই থাক না কেন প্রতিপক্ষকে সমীহ করছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘‘ওরা এএফসি কাপ খেলছে। নেপাল, বাংলাদেশ এমনকি ভারতের চ্যাম্পিয়ন দলকে হারিয়েছে। মুম্বই এফসিকেও হারিয়েছে। আমার বিশ্বাস ওরাও ডুরান্ড ফাইনালের জন্য ভালই প্রস্তুতি নিয়েছে। কেউই হারতে চাইবে না তাও আবার ডার্বি। তাই আমাদের শুরু থেকেই সতর্ক থাকতে হবে।’’
তবে কুয়াদ্রাত চান না ম্যাচ কোনওভাবে টাইব্রেকারে যাক। তাঁর বিশ্বাস মোহনবাগানও সেটা চাইবে না। তিনি বলেন, ‘’৯০ মিনিট খেলতে হবে। কেউ পেনাল্টিতে যেতে চাইবে না। আমরা সবাই নির্ধারিত সময়ে খেলা শেষ করতে চাইব। তবে এটা সত্যি আমাদের একটাই লক্ষ্য, সেটা হল জেতা। অনেকটা কঠিন সময় পেরিয়ে আমরা ফাইনালে পৌঁছেছি। তাই জেতা ছাড়া আর কিছুই ভাবছি না।’’
দলের সব থেকে বড় সমস্যা কোচ ও কার্ড। সেই তালিকায় রয়েছে ক্লেটন সিলভা, সৌভিক চক্রবর্তী, পারদো। কার্ডের জন্য নেই শৌভিক। কুয়াদ্রাত বলেন, ‘‘ক্লেটন, পারদো পুরো ফিট নয়। তবে যা আছে তা নিয়েই আমরা তৈরি। সেটাই আসল। ওদের বিরুদ্ধে আমাদের অস্ত্র তৈরি।’’ যাঁরা নেই তাঁদের নিয়ে ভাবছেন না তিনি।
রেফারিং নিয়ে মুখ খুলেছেন কুয়াদ্রাতও। তিনি বলেন, ‘‘রেফারি নিয়োগ তো আমাদের হাতে নেই। আমি কোচ হিসেবে দল নিয়ে নিজের কাজ করতে পারি।’’ তবে হুয়ান পথ ধরেই দেশীয় রেফারির পক্ষে সওয়াল করলেন কুয়াদ্রাত। তিনি বলেন, ‘‘আইএসএল-এ অনেক ম্যাচেই বিদেশি রেফারি খেলান। তাঁদের এই ম্যাচের উত্তেজনা নিয়ে কোনও ধারণা থাকে না। ওরা আসে, ম্যাচ খেলিয়ে চলে যায়। সেখানে দেশি রেফারিরা খেলালে তাদের মান বাড়বে। ওরাও মানুষ, ওদেরও চাপের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়।’’ তবে এর মধ্যেই তিনি আধুনিক প্রযুক্তির প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার
