ইগর স্টিমাচের লাল কার্ড
অলস্পোর্ট ডেস্ক: বেঙ্গালুরুতে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবলে কুয়েতের বিরুদ্ধে ভারতীয় দলের ১-১ ড্রয়ের ম্যাচে কর্মকর্তাদের সঙ্গে তর্কে জরিয়ে পড়েছিলেন ভারতীয় কোচ ইগর স্টিমাচ। আর সেই কারণেই তাঁকে এই টুর্নামেন্টে দ্বিতীয়বার লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল। শুক্রবার তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তি ঘোষণা করা হল। কোচ ইগর স্টিমাচ-কে লাল কার্ডের অপরাধে দুই ম্যাচের জন্য নির্বাসিত করা হয়েছে। সঙ্গে স্টিম্যাচকে ৫০০ আমেরিকান ডলার জরিমানাও করা হয়েছিল। এর আগে তাঁকে এক ম্যাচেই নির্বাসিত করা হয়েছিল এবার সেটা বেড়ে দুই ম্যাচ করা হল সঙ্গে জরিমানাও।
২১ জুন সাফে ভারতের উদ্বোধনী ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তাঁকে লাল কার্ডও দেখানো হয়েছিল কিন্তু সেক্ষেত্রে বিষয়টি সাফ শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির কাছে পাঠানো হয়নি কারণ তাঁর অপরাধকে “কম গুরুতর” বলে গণ্য করা হয়েছিল এবং তাঁকে পরের ম্যাচ থেকে বাদ পড়তে হয়েছিল। ২৪ জুন নেপালের বিরুদ্ধে ম্যাচে ডাগআউটে থাকতে পারেননি তিনি তবে তাতে ভারতের জয় আটকায়নি।
কিন্তু ২৭ জুন কুয়েতের বিরুদ্ধে ম্যাচে তাঁর ব্যবহার ও লাল কার্ড সংক্রান্ত বিষয়টি সাফ শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির কাছে পাঠানো হয় যা অভিজ্ঞ ক্রোয়েশিয়ান কোচ এবং ১৯৯৮ ওয়ার্ল্ড কাপে ব্রোঞ্জ পদক জয়ীকে বড় শাস্তির মুখে পড়তে হল।
“তাকে (স্টিম্যাচ) দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এবং ৫০০ আমেরিকান ডলার (৪১ হাজার টাকা) জরিমানা করা হয়েছে,” সাফ-এর সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক শুক্রবার পিটিআইকে জানিয়েছেন।
“প্রথমবারের মতো(পাকিস্তানের বিপক্ষে), বিষয়টি সাফ শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির কাছে পৌঁছেছিল কারণ এটি একটি গুরুতর অপরাধ ছিল। তিনি (স্টিম্যাচ) মাঠের বাইরে যাওয়ার সময় (লাল কার্ড দেখানোর পরে) কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও অশালীন ভাষা ব্যবহার করেছিলেন,” বলেন তিনি।
কুয়েতের বিরুদ্ধে উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে, স্টিম্যাচ ম্যাচ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিতর্কে জরিয়ে পড়েন এবং শেষ পর্যন্ত ৮১তম মিনিটে তাঁকে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়। এই শাস্তির ফলে শনিবার লেবাননের বিরুদ্ধে ভারতের সেমিফাইনাল ম্যাচ মাঠে থাকতে পারছেন না স্টিমাচ। এছাড়া শাস্তির কারণে ভারত ফাইনালে পৌঁছলেও মাঠে দলকে উপদেশ দেওয়ার জন্য থাকতে পারবেন না তিনি। তাঁর জায়গায় কোচের ভূমিকায় দেখা যাবে সহকারী কোচ মহেশ গাউলিকে।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার
