ইন্টার কাশী ১(আসিফ) মহমেডান ০
অলস্পোর্ট ডেস্ক: হেরেই চলেছে মহমেডান স্পোর্টিং। আইএসএলে ৭ ম্যাচ খেলে এখনও কোনও পয়েন্ট প্রাপ্তি হল না তাদের। রবিবার কিশোরভারতী ক্রীড়াঙ্গনে হাড্ডাহাড্ডি লড়েও ইন্টার কাশীর কাছে হার বাঁচাতে পারল না সাদা কালো ব্রিগেড। ১৫ মিনিটে গোল করে কাশীকে পরপর ২ ম্যাচে জয় এনে দেন আসিফ। এই জয়ের সুবাদে ৮ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের ৮ নম্বর উঠে এলে কোচ আন্তোনিও হাবাসের দল কাশী।
শুরু থেকেই মেহরাজউদ্দিনের কোচিংয়ে তেড়েফুঁড়ে আক্রমণে উঠে ইন্টার কাশীর ওপর চাপ বাড়ালেও গোলমুখে শট নিতে পারেনি প্রথমার্ধে। রক্ষণ সংগঠন জমাট করে খেলার বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত কোচ হাবাস নিজেদের বক্সের আশেপাশে কোনও ফাঁকা জায়গা দেননি মহমেডান ফুটবলাররা অবাধে শট নেওয়ার। অন্য ম্যাচগুলোয় মহমেডানের লালরেমসাঙ্গা নিজের দক্ষতা তুলে ধরলেও, ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে অধিকাংশ সময় ছিলেন নিষ্প্রভ। বলা ভাল কাশী কোচ হাবাস তাঁকে কড়া নজরে রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন তাঁর ফুটবলার। মহমেডানের ফুটবলার মহীতোষের ছটফটানিও বিশেষ কাজে আসেনি।
অল্পসময়ের মধ্যে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ইন্টার কাশী। ১৫ মিনিটে আসিফের গোলে এগিয়েও যায়। রোহিত দানু বল ধরে ওভারল্যাপে বাঁপ্রান্ত দিয়ে উঠে আসা সন্দীপ মান্ডিকে বাড়িয়েছিলেন। সন্দীপ গতি বাড়িয়ে বক্সের ধারে পৌঁছে মাইনাস রাখলে, বক্সের মাঝে ওত পেতে থাকা আসিফ সেই বল অনুসরণ করে বাঁপায়ের মাপা শটে তা জালের ভেতর পাঠান। এরপর পরিবর্ত হিসেবে মাঠে আসা তোম্বা সিং জোরালো শট নিয়ে মহমেডান গোলকিপার পদম ছেত্রীকে পরীক্ষার মুখে ফেলে দিয়েছিলেন। পদমের তৎপরতায় দ্বিতীয় গোল খাওয়ার হাত থেকে বাঁচে মহমেডান।
বিরতির পর গোল শোধের লক্ষ্যে ঝাঁপিয়েছিল মহমেডান বাড়তি উৎসাহ নিয়ে। ৫৫ মিনিটে সমতা ফেরানোর খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল সাদা কালো ব্রিগেড। লালরেমসাঙ্গা তীব্র গতিতে বল নিয়ে উঠে কাশী বক্সে তা ভাসালে, সেই বলে বদলি হিসেবে নামা লালনগাইশাকার হেড ক্রশপিসে আছড়ে বেরিয়ে যায়। ম্যাচের অন্তিম লগ্নে লালরেমসাঙ্গা ও লালনগাইশাকার প্রচেষ্টা ইন্টার কাশীর সন্দীপ মান্ডি পায়ে লেগে পোস্টের গা ঘেঁষে বেরিয়ে যায়।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন:ফেসবুক ও টুইটার
