অলস্পোর্ট ডেস্ক: মোহনবাগান আগেই জানিয়ে দিয়েছিল কলকাতা লিগ ডার্বি খেলবে না তারা। তার কারণ হিসেবে তারা জানায়, ২ ডিসেম্বর অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে ৩০ নভেম্বর রওনা দেবে দল। সেই অবস্থায় কী করে কলকাতা লিগের ডার্বি ৩০ নভেম্বর খেলা সম্ভব। ইস্টবেঙ্গলকে সুবিধে পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে আইএফএ-কে লেখা মোহনবাগানের চিঠিতে। ম্যাচ পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছিল মোহনবাগান কিন্তু তাতে রাজি হয়নি আইএফএ।
এদিকে এদিন ইস্টবেঙ্গল দল পৌঁছে গিয়েছিল নৈহাটি স্টেডিয়ামে। টিম লিস্টও তৈরি হয়ে গিয়েছিল। যদিও সেই টিম লিস্টে শুধুই ইস্টবেঙ্গল প্লেয়ারদের নাম ছিল। মোহনবাগান প্লেয়ারদের নামের জায়গা ফাঁকাই রেখে দেওয়া হয়েছিল। ইস্টবেঙ্গল দল সময় মতো ওয়ার্ম আপ করতেও নেমে পড়ে। দুপুর দুটো থেকে খেলা হওয়ার কথা থাকলেও দ্বিতীয় দল মোহনবাগান না আসায় ডার্বি শুরু করা যায়নি। ঘণ্টাখানেক দেখার পর ম্যাচ কমিশনার জানিয়ে দেয় ম্যাচ বাতিল। নিয়ম অনুযায়ী ওয়াক ওভার পাওয়ার কথা ইস্টবেঙ্গলের। যদিও তা নিয়ে ম্যাচ কমিশনার কিছু জানাননি।
ডার্বি ঘিরে সব সময়ই ডার্বির এক সপ্তাহ আগে থেকে ফুটতে শুরু করে বাংলা। দুই দলের তরজা, চায়ের কাপে তুফান, দুই দলের ফুটবলারদের কঠোর পরিশ্রম, দুই কোচের বুদ্ধির লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায় অনেক আগে থেকেই। এবার তেমন কিছুই ছিল না। মোহনবাগান আগে থেকেই না খেলার কথা জানিয়ে দেওয়ায় সেই আবেগের বিস্ফোরণ হয়নি।
গত কয়েকদিন আইএফএ ও মোহনবাগানের মধ্যে একাধিক চিঠির আদান-প্রদান হয়েছে। কিন্তু ডার্বি নিয়ে একমত হতে পারেনি কোনও পক্ষই। আইএফএ সচিব অনিবার্ণ দত্ত মোহনবাগানের সব অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও কুরুচিকর বলে আখ্যা দিয়েছিলেন।এবং স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন ডার্বির দিন পিছিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। মোহনবাগান না খেললে ইস্টবেঙ্গল ওয়াক ওভার পাবে।
তবে আইএফএ-মোহনবাগান সংঘাত যে শুধু ডার্বিতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে এমনটা নয়। বরং আইএফএ বকেয়া না মেটানো নিয়েও আর একটি চিঠি দিয়েছিল মোহনবাগান। সেখানে বলা হয়েছিল ৬০ লক্ষ টাকার মধ্যে ১২ লক্ষ্যই পাওয়া গিয়েছে। আইএফএ তার জবাবে জানিয়েছে, আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে অ্যাসোসিয়েশন। সমস্যা মিটলেই বাকি টাকা ফেরত দেওয়া হবে।
খেলার খবরের জন্য ক্লিক করুন: www.allsportindia.com
অলস্পোর্ট নিউজের সঙ্গে থাকতে লাইক আর ফলো করুন: ফেসবুক ও টুইটার
